প্রথম দফার নির্বাচন মোটের উপর শান্তিপূর্ণভাবেই শেষ হয়েছে। উৎসবের মেজাজে ভোট দিয়েছেন মানুষ (Election Commission)। প্রায় ৯২ শতাংশ ভোট পড়েছে রাজ্যের ১২৫টি আসনে। তবে ভোট শেষ হতেই ইভিএম নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। শাসক ও বিরোধী—দু’পক্ষই কারচুপির অভিযোগ তুলেছে। এমনকি এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও প্রশ্ন তুলেছেন।
এই পরিস্থিতিতে সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল জানিয়েছেন, এ বার প্রথমবারের মতো বাংলায় ইভিএমে জিপিএস ট্র্যাকিং ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। ফলে ইভিএম কোথায় আছে, তা সবসময় নজরে রাখা সম্ভব। তাই কারচুপির কোনও সুযোগ নেই বলেই দাবি তাঁর।
আগামী ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার ভোট। কলকাতা-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হবে। সেই ভোট যাতে শান্তিপূর্ণভাবে হয়, তার জন্য প্রস্তুতি শুরু করেছে কমিশন। শনিবার আরামবাগে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। সেখানে রাজনৈতিক দল, পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি (Election Commission)।
এই বৈঠকের পর তিনি জানান, কিছু জায়গা থেকে রিজার্ভ ইভিএম ও আলো সংক্রান্ত অভিযোগ এসেছিল। সেই সমস্যাগুলি দ্রুত মিটিয়ে ফেলা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, প্রথম দফার ভোটে যে অভিযোগগুলি পাওয়া গিয়েছিল, সেগুলির ভিডিও ফুটেজ খতিয়ে দেখা হয়েছে এবং তাতে কমিশন সন্তুষ্ট। সেই কারণেই কোথাও পুনরায় ভোটগ্রহণের প্রয়োজন হয়নি।
মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক আরও জানান, বুথের ভিতরে নিরাপত্তার সম্পূর্ণ দায়িত্ব ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনীর। বুথের ১০০ মিটারের মধ্যে ভোটার ছাড়া অন্য কাউকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। প্রতিটি বুথেই নজরদারির জন্য ক্যামেরা ছিল। তাই ভোটারদের ভোট সম্পূর্ণ নিরাপদ রয়েছে বলেই আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।











