একটি মামলায় আদালতের রক্ষাকবচ পেলেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) আইনি লড়াই এখনও শেষ হয়নি। বিধানসভায় সই জালিয়াতি সংক্রান্ত মামলায় সাময়িক স্বস্তি মিললেও এবার নির্বাচনী প্রচারে করা একটি মন্তব্যকে ঘিরে নতুন করে চাপ বাড়ল তাঁর উপর। ওই মামলার তদন্তভার সম্প্রতি নিজেদের হাতে নিয়েছে সিআইডি। সেই মামলাতেই নোটিস দিতে শুক্রবার অভিষেকের কালীঘাটের বাড়িতে পৌঁছয় তদন্তকারী দল।
বৃহস্পতিবারই হাইকোর্টের নির্দেশে ভবানী ভবনে হাজিরা দেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। তার আগে মামলার আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরে দাঁড়ানো এবং আদালতের নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়াকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছিল। আদালত তাঁকে চৌদ্দ দিনের রক্ষাকবচও দেয়।
তবে একই সময়ে আরও একটি মামলার তদন্তভার গ্রহণ করে সিআইডি। অভিযোগ, নির্বাচনী প্রচারের সময় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) করা একটি বক্তব্য উস্কানিমূলক ছিল। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে বিধাননগর থানায় মামলা দায়ের হয়েছিল। প্রথমে তদন্ত করছিল বিধাননগর কমিশনারেটের সাইবার শাখা। পরে মামলাটি সিআইডির হাতে তুলে দেওয়া হয়।
শুক্রবার দুপুরে তদন্তকারী দল কালীঘাটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) বাড়িতে পৌঁছলেও তাঁকে সেখানে পাওয়া যায়নি। ফলে নোটিস সরাসরি হাতে তুলে দেওয়া সম্ভব হয়নি। খবর পেয়ে সেখানে পৌঁছে যান তাঁর আইনজীবীরা। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তাঁরা জানান, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আইন মেনেই চলবেন এবং তদন্তে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করবেন। আদালতের নির্দেশকে তিনি সম্মান জানিয়েছেন বলেও দাবি করেন তাঁরা।
এই মামলার অভিযোগকারী বাগুইআটির বাসিন্দা রাজীব সরকার। তাঁর দাবি, নির্বাচনী প্রচারে অভিষেক এমন কিছু মন্তব্য করেছিলেন যা মানুষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়াতে পারে। একজন জনপ্রতিনিধির এমন ভাষা ব্যবহার করা উচিত নয় বলেও অভিযোগকারীর মত (Abhishek Banerjee)।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। একদিকে আদালতের রক্ষাকবচ, অন্যদিকে নতুন মামলায় তদন্তের গতি— সব মিলিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে রাজনৈতিক ও আইনি পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকদের একাংশ।












