দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণের পর থেকেই ইভিএমে কারচুপির অভিযোগ ঘিরে রাজ্য রাজনীতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। একাধিক রাজনৈতিক দল কয়েকটি বুথে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে (Election Commission)। নির্বাচন কর্তৃপক্ষ আগেই জানিয়েছিল, যদি বহু বুথে অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হয়, তাহলে পুরো বিধানসভা কেন্দ্রেও ফের ভোট হতে পারে। এই পরিস্থিতিতে কোন কোন বুথে পুনর্নির্বাচন হবে, সেই সিদ্ধান্ত আজই নেওয়া হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।
নির্বাচন কর্তৃপক্ষের সূত্রে খবর, মোট পনেরোটি বুথে পুনর্নির্বাচনের সম্ভাবনা রয়েছে। ফলতা কেন্দ্রের সব বুথে ফের ভোটের দাবি জানিয়েছিল বিজেপি (Election Commission)। পুনর্নির্বাচনের বিষয়ে সমস্ত রিপোর্ট খতিয়ে দেখতে বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত নির্বাচন আধিকারিক জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে আলোচনা করেন। রাত পর্যন্ত তিনি বিভিন্ন বুথের রিপোর্ট খতিয়ে দেখেন এবং ইতিমধ্যেই সেই রিপোর্ট নির্বাচন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। পনেরোটি বুথের বিস্তারিত তথ্য পাঠানো হয়েছে এবং আজ সকালেও আরও কিছু রিপোর্ট জমা পড়ার কথা রয়েছে। এই রিপোর্টের উপর ভিত্তি করেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে (Election Commission)।
জানা গেছে, এই পনেরোটি বুথেই ইভিএমে টেপ বা সুগন্ধি জাতীয় কিছু লাগানো অবস্থায় পাওয়া গেছে, যা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে। এই অবস্থায় পুনর্নির্বাচন ছাড়া অন্য কোনও পথ নেই বলেই মনে করা হচ্ছে।
কোন কোন এলাকায় পুনর্নির্বাচন হতে পারে, তা নিয়েও কিছু তথ্য সামনে এসেছে। ডায়মন্ড হারবারের চারটি বুথে ফের ভোটের সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি পশ্চিম মগরাহাটের ছয়টি এবং ফলতার পাঁচটি বুথেও পুনর্নির্বাচন হতে পারে। তবে নির্বাচন কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট জানিয়েছে, উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতা, নদিয়া এবং পূর্ব বর্ধমান জেলায় কোনও পুনর্নির্বাচন হবে না (Election Commission)।
এই পরিস্থিতিতে পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়ছে। এখন সবার নজর নির্বাচন কর্তৃপক্ষের চূড়ান্ত ঘোষণার দিকে।













