দুই দফার ভোটগ্রহণ শেষ হতেই বাংলার রাজনীতিতে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা (BJP)। এখন সবার নজর এক্সিট পোলের ফলাফলের দিকে। তার আগেই রাজ্যের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল নিজেদের জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী। বিশেষ করে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গে ইতিমধ্যেই পরিবর্তন হয়ে গেছে। তাঁর দাবি, প্রথম দফার ভোট থেকেই নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছিল এবং তা এখন আরও এগোচ্ছে। তিনি বলেন, এই লড়াই ছিল তৃণমূল কংগ্রেস ও সাধারণ মানুষের মধ্যে, আর গণতন্ত্রে শেষ কথা বলে মানুষই। তাই তাঁর বিশ্বাস, মানুষ জিতবে এবং তৃণমূল হারবে (BJP)।
ভোট প্রক্রিয়া নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে শুরু থেকেই উদ্যোগী ছিল নির্বাচন কমিশন (BJP)। বেশি দফা না রেখে মাত্র দুই দফাতেই ভোট শেষ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রথম দফায় কিছু বিক্ষিপ্ত অশান্তির ঘটনা ঘটলেও ভোটগ্রহণ সম্পূর্ণ হয়। দ্বিতীয় দফাতেও বিভিন্ন জেলা থেকে উত্তেজনার খবর আসে, তবে বড় কোনও অভিযোগ সামনে আসেনি। দুই দফাতেই ভোটদানের হার ছিল উল্লেখযোগ্য।
ভোটের দিন বিভিন্ন জায়গায় রাজনৈতিক উত্তেজনা দেখা যায়। কোথাও বিজেপি (BJP) প্রার্থীদের সঙ্গে তৃণমূল কর্মীদের বচসা, আবার কোথাও স্লোগানকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। কালীঘাট এলাকায় শুভেন্দু অধিকারীকে ঘিরে বিশেষভাবে উত্তেজনা তৈরি হয়। তিনি এলাকায় ঢুকতেই স্লোগান দিতে শুরু করেন কিছু মানুষ। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ এগিয়ে এলেও উত্তেজনা কমেনি। এই অবস্থায় শুভেন্দু অধিকারী নির্বাচন কমিশনে ফোন করে অভিযোগ জানান। অন্যদিকে, তৃণমূল প্রার্থী কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, শুভেন্দু অধিকারী ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করছিলেন। এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় চরম উত্তেজনা তৈরি হয়।
এখন সবার নজর এক্সিট পোল এবং চূড়ান্ত ফলাফলের দিকে। কে বসবে বাংলার মসনদে, সেই উত্তর জানতে আর বেশি দেরি নেই।










