বীরভূমের (Birbhum) নানুরে ভোট পরবর্তী রাজনৈতিক হিংসা নিয়ে ফের চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ, একুশের বিধানসভা ভোট এবং চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনের পর বহু বিজেপি কর্মী এলাকা ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন। পরে এলাকায় ফিরতে গেলে তাঁদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নেওয়া হয়েছিল। এবার রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর সেই টাকা ফেরত দেওয়ার ঘটনা সামনে এসেছে বলে দাবি বিজেপির (Birbhum)।
বিজেপি কর্মীদের অভিযোগ, রাজনৈতিক সন্ত্রাসের জেরে বহু মানুষ দীর্ঘদিন ঘরছাড়া ছিলেন। পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ার পর তাঁরা এলাকায় ফিরতে চাইলে চাপ সৃষ্টি করে টাকা নেওয়া হয় (Birbhum)। কারও কাছ থেকে পঞ্চাশ হাজার টাকা, আবার কারও কাছ থেকে দেড় লক্ষ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। নানুরের কঙ্কালীতলা পঞ্চায়েত এবং আশপাশের এলাকায় এই ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করা হয়েছে।
জানা গিয়েছে, শান্তিনিকেতন থানা এলাকার অন্তত এগারো জন বিজেপি নেতা-কর্মী সম্প্রতি তাঁদের টাকা ফেরত পেয়েছেন (Birbhum)। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় বিজেপি কর্মী সব্যসাচী রায় জানিয়েছেন, একুশের ভোটের পর বিজেপির হয়ে কাজ করার জন্য তাঁদের উপর হামলা চালানো হয়েছিল। বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়, পরিবারের সদস্যদের মারধরও করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। দীর্ঘদিন এলাকা ছাড়া থাকার পর বাড়ি ফিরতে গেলে টাকা দিতে বাধ্য করা হয় বলেও দাবি করেছেন তিনি (Birbhum)।
বিজেপির আরও কয়েকজন কর্মীর অভিযোগ, টাকা জোগাড় করতে গিয়ে তাঁদের অনেককে নিজের সম্পত্তি পর্যন্ত বিক্রি করতে হয়েছে। এই অভিযোগ ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
ঘটনায় স্থানীয় দুই তৃণমূল নেতা মামন শেখ ও আলেফ শেখের নাম উঠে এসেছে। বিজেপির দাবি, এই দুই নেতা তৃণমূল বিধায়ক কাজল শেখের ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত। যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কাজল শেখ। তাঁর দাবি, সেই সময়ে ওই এলাকার দায়িত্বে তিনি ছিলেন না এবং কোনও টাকা তোলার ঘটনা সম্পর্কে তাঁর জানা নেই।
অভিযুক্ত মামন শেখ ও আলেফ শেখ অবশ্য এই বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করতে চাননি। পুরো ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে এলাকায়।













