ভোটের আগে শহরের বড় বড় আবাসন ও উঁচু বহুতলে বসবাসকারী ভোটারদের বুথমুখী করতে কড়া পদক্ষেপ নিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। রাজ্য পুলিশের ডিজি এবং কলকাতা পুলিশ কমিশনারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, মঙ্গলবার রাত থেকেই প্রতিটি হাইরাইজ ও আবাসনের গেটে নিরাপত্তা বাড়াতে হবে। নির্দেশ অনুযায়ী, রাজ্য পুলিশ বা কলকাতা পুলিশের এক জন কর্মীর সঙ্গে দু’জন করে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান মোতায়েন থাকবে (Election Commission)।
এর পাশাপাশি নিয়মিত মাইকিং করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। মাইকিং করে জানাতে হবে, ভোটাররা যেন নির্ভয়ে ও নিশ্চিন্তে তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করতেই এই পদক্ষেপ (Election Commission)।
ইতিমধ্যেই কয়েকটি বড় আবাসনের ভিতরেই ভোটগ্রহণ কেন্দ্র তৈরি করা হয়েছে, যাতে সেখানকার বাসিন্দাদের বাইরে যেতে না হয়। তবে যেসব আবাসনে বুথ নেই, সেখানকার ভোটারদের যাতে বাড়ি থেকে বেরিয়ে নির্দিষ্ট কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে উৎসাহিত করা যায়, তার জন্যই এই বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে (Election Commission)।
দক্ষিণ কলকাতার শহুরে ভোটারদের ভোটমুখী করতে কমিশন আরও একটি নতুন উদ্যোগ নিয়েছে। দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে শহরের অন্তত ছয়টি বড় আবাসনের ভিতরেই বুথ তৈরি করা হচ্ছে। এর মধ্যে রাসবিহারী বিধানসভা এলাকার একটি অভিজাত আবাসনও রয়েছে। মূলত বয়স্ক ও আবাসিকদের সুবিধার কথা মাথায় রেখেই এই পরিকল্পনা করা হয়েছে।
কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই আবাসনে তিনশোরও বেশি নথিভুক্ত ভোটার রয়েছেন। নির্বাচন প্রক্রিয়া স্বচ্ছ রাখতে বুথের ভিতরে ও বাইরে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। যে ঘরে বুথ তৈরি করা হয়েছে, সেটি আপাতত তালাবন্ধ রাখা হয়েছে। ভোটের দিন নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের উপস্থিতিতেই সেই ঘর খোলা হবে।









