দ্বিতীয় দফার ভোটের ঠিক আগে রাজ্য জুড়ে চলছে জোর প্রস্তুতি। নির্বাচন কমিশনও কড়া নজরদারি চালাচ্ছে (CEO)। ভোটের আগের দিন সাংবাদিক বৈঠকে ভোটারদের উদ্দেশে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিলেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল। পাশাপাশি, ফিরহাদ হাকিম-এর বাড়িতে পুলিশ পর্যবেক্ষকের যাওয়া এবং অজয় পাল শর্মা-কে ঘিরে বিতর্ক নিয়েও প্রতিক্রিয়া জানান তিনি।
মনোজকুমার আগরওয়াল (CEO) জানান, রাজ্যে মোট আড়াই হাজার কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন রয়েছে এবং ১৪২টি আসনে ভোট হবে। সব বুথেই শতভাগ ওয়েব নজরদারি রাখা হয়েছে, ফলে কোথাও কোনও সমস্যা হলে তা সঙ্গে সঙ্গে জানা যাবে। তিনি বলেন, বুথের একশো মিটারের মধ্যে কারা ঢুকতে পারবেন, তা কেন্দ্রীয় বাহিনীই ঠিক করবে।
ভোটের আগে তিনি নিজেও বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শনে যাবেন বলে জানান (CEO)। ভোটারদের উদ্দেশে তাঁর বার্তা, কারও ভয় বা ধমকে পিছিয়ে না গিয়ে সবাই যেন ভোট দিতে যান। তিনি আরও বলেন, পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গেও আলোচনা করে তাঁদের নির্দেশ দেওয়া হবে, যাতে সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থা তৈরি হয়। প্রথম দফার মতোই এবারও বেশি সংখ্যক মানুষ ভোট দেবেন বলে আশাবাদী তিনি।
অজয় পাল শর্মাকে ঘিরে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, সে বিষয়ে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (CEO) বলেন, একজন পর্যবেক্ষক সরাসরি কোনও পদক্ষেপ নিতে পারেন না। তিনি শুধুমাত্র পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবেন এবং কথা বলবেন। নির্বাচন কমিশনের অনুমতি ছাড়া কোনও ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব নয় এবং সেই সীমারেখা তিনি জানেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
আইনশৃঙ্খলা প্রসঙ্গে তিনি জানান, পরিস্থিতি সামলানোর দায়িত্ব পুলিশের। কেন্দ্রীয় বাহিনী পুলিশকে সহায়তা করছে। কোথাও বুথের ভিতরে বা বাইরে গন্ডগোল ধরা পড়লে পুনর্নির্বাচন করা হতে পারে বলেও স্পষ্ট জানান তিনি।
এদিন জলপাইগুড়ির স্ট্রং রুমে বিদ্যুৎ না থাকা নিয়ে যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল, সে বিষয়েও আশ্বস্ত করেন তিনি। জানান, বিদ্যুৎ না থাকলেও সিসিটিভি বন্ধ হয়নি এবং সেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন রয়েছে। এখনও পর্যন্ত এ নিয়ে কোনও অভিযোগ আসেনি।
মনোজকুমার আগরওয়াল জানান, দ্বিতীয় দফার ভোটে প্রায় ৩০ শতাংশ বুথ স্পর্শকাতর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে রাসবিহারী এবং ভবানীপুর বিশেষভাবে নজরে রাখা হচ্ছে।
ফিরহাদ হাকিমের বাড়িতে কেন্দ্রীয় বাহিনী যাওয়ার প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, সম্ভবত তিনি প্রার্থী হওয়ায় পর্যবেক্ষক সেখানে গিয়েছিলেন। তবে এ বিষয়ে কমিশনের কাছে কোনও অভিযোগ জমা পড়েনি বলে জানান তিনি।











