সুদীপ পোল্লের গ্রেফতারির রেশ কাটতে না কাটতেই ফের বড় ধাক্কা তৃণমূলে (TMC Leader)। এবার গ্রেফতার করা হল কলকাতা পুরনিগমের ছত্রিশ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর সচিন সিংকে। একুশ সালের বিধানসভা ভোট-পরবর্তী হিংসার মামলায় মঙ্গলবার তাঁকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ (TMC Leader)। ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক চর্চা শুরু হয়েছে কলকাতায়।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নারকেলডাঙা থানায় সচিন সিংয়ের বিরুদ্ধে দুটি পৃথক মামলা দায়ের হয়েছিল (TMC Leader)। তার মধ্যে একটি মামলায় অভিযোগ, একুশ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর চার মে বিকেলে সচিন সিং এবং তাঁর কয়েকজন সহযোগী এক ব্যক্তির বাড়িতে হামলা চালান। অভিযোগকারীর দাবি, বাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়, বিভিন্ন সামগ্রী লুট করা হয় এবং প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত শুরু করে পুলিশ এবং শেষ পর্যন্ত গ্রেফতার করা হয় সচিন সিংকে।
আরও একটি মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর সচিন সিং ও তাঁর সহযোগীরা বেআইনিভাবে জমায়েত হয়ে এক ব্যক্তির বাড়িতে জোর করে ঢুকে হামলা ও ভাঙচুর চালান (TMC Leader)। এই ঘটনাতেও তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ। পাশাপাশি অন্য অভিযুক্তদের খোঁজও শুরু হয়েছে।
সচিন সিংয়ের গ্রেফতারির খবর প্রকাশ্যে আসতেই এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। মঙ্গলবার দুপুরে তাঁর বাড়ির সামনে জড়ো হন স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ। সেখানে বিক্ষোভ দেখানো হয় এবং বাড়ি লক্ষ্য করে ডিমও ছোড়া হয়। বিক্ষোভকারীদের মুখে শোনা যায় ‘চোর চোর’ স্লোগান। তাঁদের অভিযোগ, বেআইনি পার্কিং, জোর করে টাকা আদায়-সহ একাধিক অনিয়মের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন কাউন্সিলর (TMC Leader)।
উল্লেখ্য, গত কয়েক দিনে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে তৃণমূলের একাধিক নেতা ও জনপ্রতিনিধিকে বিভিন্ন অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে। কিছু দিন আগে গ্রেফতার হন কলকাতা পুরনিগমের একশো তেইশ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর সুদীপ পোল্লে। এদিকে আবার একশো আট নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষের বিরুদ্ধেও অভিযোগ দায়ের হয়েছে। ফলে একের পর এক ঘটনায় রাজনৈতিক চাপ বাড়ছে তৃণমূলের উপর।











