রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদলের পর প্রথম বড় রাজনৈতিক কর্মসূচিতে দেখা গেল তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee)। মঙ্গলবার কলকাতার ওয়াই চ্যানেলে ধর্নায় বসেন তিনি। তবে এবারের ছবিতে ছিল স্পষ্ট পরিবর্তন। অতীতের মতো দলীয় বিধায়ক, সাংসদ এবং নেতাদের ভিড় চোখে পড়েনি।
রাজনৈতিক জীবনে বহুবার আন্দোলন ও ধর্নার নেতৃত্ব দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। বিরোধী নেত্রী থাকাকালীন থেকে শুরু করে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবেও বিভিন্ন ইস্যুতে রাস্তায় নেমেছেন তিনি। কিন্তু এবারের ধর্না কর্মসূচিতে উপস্থিতির সংখ্যা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা।
বর্তমানে তৃণমূলের হাতে এখনও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বিধায়ক ও সাংসদ রয়েছেন। দল থেকে সম্প্রতি দুজন বিধায়ক বহিষ্কৃত হওয়ার পরও বিধানসভায় দলের সদস্য সংখ্যা রয়েছে আটাত্তর। লোকসভা ও রাজ্যসভা মিলিয়ে রয়েছে একচল্লিশ জন সাংসদ। কিন্তু ধর্নামঞ্চে দেখা গেল মাত্র কয়েকজন সাংসদ এবং হাতে গোনা কয়েকজন বিধায়ককে (Mamata Banerjee)।
মঙ্গলবার দুপুরে কালীঘাটের বাড়ি থেকে বেরিয়ে ওয়াই চ্যানেলের ধর্নাস্থলে পৌঁছন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সাংসদ দোলা সেন এবং কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। মঞ্চে পৌঁছনোর পর কিছু মানুষের ভিড় দেখা গেলেও অতীতের বড় কর্মসূচিগুলির সঙ্গে তার তুলনা টানা কঠিন বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ।
ধর্নামঞ্চে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, মদন মিত্র, ফিরহাদ হাকিম, বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, অশোক দেব এবং শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। সাংসদদের মধ্যে ছিলেন ডেরেক ও’ব্রায়েন, সামিরুল ইসলাম, দোলা সেন, মালা রায় এবং কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
এছাড়াও দলের কয়েকজন পরাজিত প্রার্থী এবং পুর প্রতিনিধিকেও ধর্নামঞ্চে দেখা যায়। তাঁদের মধ্যে ছিলেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, তন্ময় ঘোষ, বৈশ্বনর চট্টোপাধ্যায়, কৃষ্ণা চক্রবর্তী, স্বপন সমাদ্দার-সহ আরও অনেকে।
ধর্নামঞ্চের (Mamata Banerjee) এই উপস্থিতি নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে দলের বহু বিধায়ক ও সাংসদের অনুপস্থিতি নতুন করে তৃণমূলের সাংগঠনিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।












