বারুইপুর গণপিটুনি মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া সিপিএমের রাজ্য কমিটির সদস্য (CPIM Leader) লাহেক আলিকে আট দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিল আদালত। সোমবার তাঁকে বারুইপুর আদালতে তোলা হলে বিচারক আগামী ২১ তারিখ পর্যন্ত পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন। ফলে আপাতত জামিনের সুযোগ পেলেন না তিনি।
বারুইপুরের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার পর এক যুবককে চোর সন্দেহে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে এলাকাজুড়ে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়। পরে মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, নিহত যুবক নির্দোষ ছিলেন। এই ঘটনার তদন্ত চলাকালীন গণপিটুনিতে উসকানির অভিযোগে রবিবার রাতে বারুইপুরের খোদারবাজার এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় সিপিএম নেতা (CPIM Leader) লাহেক আলিকে। তাঁর বিরুদ্ধে আগেই মামলা দায়ের হয়েছিল। সেই মামলার ভিত্তিতেই পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে।
সোমবার আদালতে আনার সময় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে লাহেক আলি (CPIM Leader) দাবি করেন, তাঁর বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ মিথ্যা। তাঁর কথায়, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং বিরোধীদের কণ্ঠস্বর বন্ধ করার চেষ্টা চলছে। তবে আদালত সেই যুক্তি গ্রহণ না করে তদন্তের স্বার্থে তাঁকে পুলিশ হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেয়।
এদিকে লাহেক আলির (CPIM Leader) গ্রেপ্তার নিয়ে সরব হয়েছে সিপিএম। দলের অভিযোগ, পুরো ঘটনাই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তীর দাবি, গণপিটুনির ঘটনা ঘটার পর লাহেক আলি ঘটনাস্থলে পৌঁছেছিলেন। সিসিটিভি ফুটেজ দেখলেই সেই তথ্য স্পষ্ট হবে। তাঁর অভিযোগ, পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই রাজনৈতিকভাবে দোষী প্রমাণ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এই মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ২১ তারিখ।












