বারুইপুরে (Baruipur) নাবালক প্রসেনজিৎ বিশ্বাসের মৃত্যুর ঘটনায় তদন্তে বড় অগ্রগতি হয়েছে। এই মামলায় ইতিমধ্যেই তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার ধৃতদের নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করা হয়। এরপর তাঁদের আদালতে তোলা হচ্ছে। তদন্তকারী সংস্থা ধৃতদের ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজতের আবেদন জানাবে বলে জানা গিয়েছে। মামলার তদন্ত এখনও চলছে এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ আদালতে বিচারাধীন।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বারুইপুর (Baruipur) থানার পালপাড়া ব্যাঙ্ক সংলগ্ন এলাকায় সতেরো বছরের প্রসেনজিৎ বিশ্বাসের উপর হামলার অভিযোগ ওঠে। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করা হলেও শেষ পর্যন্ত তাঁর মৃত্যু হয়। তদন্তে পরিকল্পিত হামলার অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
মৃতের পরিবারের দাবি (Baruipur), কয়েক দিন আগে একটি ফুটবল ম্যাচকে কেন্দ্র করে দুই দলের মধ্যে বচসা হয়েছিল। অভিযোগ, সেই ঘটনার জেরেই প্রসেনজিৎকে পরিকল্পনা করে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁর উপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালানো হয় বলে পরিবারের অভিযোগ। তবে এই অভিযোগের সত্যতা এখনও আদালতে প্রমাণিত হয়নি।
মঙ্গলবার প্রসেনজিতের দিদি দাবি করেন (Baruipur), তাঁর ভাইকে পরিকল্পনা করে ডেকে নিয়ে গিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এলাকার বাসিন্দারাও দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় মোট ছয়জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।
এদিকে, নিহতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে মঙ্গলবার এলাকায় যান নওশাদ সিদ্দিকী এবং কাকলি ঘোষ দস্তিদার। তাঁরা পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন এবং ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান।
ঘটনার পর থেকে এলাকায় উত্তেজনা বজায় রয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে প্রশাসন।












