ইরান যুদ্ধ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে ইউরোপে। পরিস্থিতি কোন দিকে এগোচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস (Germany)। তিনি সরাসরি আমেরিকার কৌশল নিয়েই সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, এই সংঘাত থেকে বেরোনোর কোনও স্পষ্ট পথ এখনো দেখা যাচ্ছে না এবং পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে উঠছে।
সোমবার নর্থ রাইন ওয়েস্টফালিয়ায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মের্ৎস বলেন, আমেরিকা ঠিক কীভাবে এই যুদ্ধের শেষ করতে চাইছে, তা পরিষ্কার নয়। এই অবস্থায় বার্লিনেও উদ্বেগ বাড়ছে। একই সঙ্গে তিনি ইরানের নেতৃত্বের কড়া সমালোচনা করে বলেন, দেশের সাধারণ মানুষকে অপমানিত করা হচ্ছে এবং বিপ্লবী গার্ডদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি (Germany)।
মের্ৎস আরও (Germany) বলেন, ইরানকে যতটা দুর্বল ভাবা হয়েছিল, বাস্তবে তারা তার চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী। তাঁর মতে, ইরান অত্যন্ত কৌশলীভাবে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে এবং পরিস্থিতিকে নিজেদের পক্ষে কাজে লাগানোর চেষ্টা করছে। এই মন্তব্যের পর ইউরোপের বিভিন্ন মহলে নতুন করে চিন্তা শুরু হয়েছে যে এই সংঘাত ভবিষ্যতে শক্তির সমীকরণ বদলে দিতে পারে।
সবচেয়ে বড় উদ্বেগের জায়গা হয়ে উঠেছে হরমুজ প্রণালী (Germany)। মের্ৎস জানান, এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথের কিছু অংশে মাইন পাতা থাকতে পারে, যা বিশ্বজুড়ে তেল পরিবহণের উপর বড় প্রভাব ফেলতে পারে। হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিপুল পরিমাণ তেল পরিবহণ হয়, ফলে এখানে কোনও সমস্যা হলে তার সরাসরি প্রভাব পড়বে বিশ্ব অর্থনীতিতে।
তিনি দ্রুত এই সংঘাতের অবসানের আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর মতে, এই যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে তার প্রভাব জার্মানির অর্থনীতিতেও পড়বে। ইউরোপের দেশগুলিও এই অস্থিরতা নিয়ে চিন্তিত। পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি যত বেশি অশান্ত হবে, ততই বিশ্ব বাজার ও জ্বালানি সরবরাহে তার প্রভাব বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।










