ইরান ও আমেরিকার চলমান সংঘাতের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভি (Pakistan Home minister) তেহরানে পৌঁছেছেন। পাকিস্তানি সূত্রের দাবি, তিনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনেইয়ের জন্য একটি বিশেষ বার্তা নিয়ে গিয়েছেন। এই সফর ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।
খবর অনুযায়ী, পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের পক্ষ থেকে এই বার্তা পাঠানো হয়েছে। বার্তার বিষয়বস্তু প্রকাশ্যে না এলেও, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে আলোচনার পরিবেশ তৈরি করা এবং উত্তেজনা কমানোর প্রচেষ্টা এর মূল লক্ষ্য হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে (Pakistan Home minister) ।
এর আগে পাকিস্তানের উদ্যোগে দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে আলোচনা হয়েছিল (Pakistan Home minister) । তবে সেই বৈঠক থেকে কোনও উল্লেখযোগ্য সমাধান বেরিয়ে আসেনি। পরবর্তীতে আরও একটি বৈঠকের চেষ্টা হলেও তা সফল হয়নি। বর্তমানে পর্দার আড়ালে আলোচনা চললেও সংঘাত কমার স্পষ্ট ইঙ্গিত এখনও মেলেনি।
এদিকে সংঘাতের জেরে মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, কুয়েত এবং বাহরিনের মতো দেশগুলিও এই উত্তেজনার প্রভাব অনুভব করছে। ফলে পাকিস্তানের এই কূটনৈতিক তৎপরতা বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।
অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের বিরুদ্ধে আরও কঠোর অবস্থান নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা যাচ্ছে। মার্কিন প্রশাসনের অভ্যন্তরীণ সূত্রের দাবি, সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলিকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার জন্য ইরানের বাজেয়াপ্ত সম্পত্তি ব্যবহার করা যায় কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এই বিষয়ে মার্কিন অর্থ দপ্তরকে ক্ষয়ক্ষতির হিসাব তৈরি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে খবর। যদিও কোন সম্পত্তি ব্যবহার করা হবে, সে বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি ঘোষণা হয়নি। তবে বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, এমন সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে সংঘাত আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে এবং যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা আরও কঠিন হয়ে যেতে পারে।
সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। একের পর এক পাল্টা হামলার ঘটনায় পরিস্থিতি ক্রমশ উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। নিরাপত্তার কারণে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন আকাশপথে বিমান চলাচলেও প্রভাব পড়েছে। ফলে গোটা অঞ্চলের পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে আন্তর্জাতিক মহল।












