ইরান এবং আমেরিকার সংঘাত ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা বাড়ছে। যুদ্ধ থামাতে ইরানের সামনে একগুচ্ছ কড়া শর্ত রেখেছে (Iran War) আমেরিকা। সেই শর্ত মানা নিয়েই এখন আন্তর্জাতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।
ইরানের সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, আমেরিকা স্পষ্ট জানিয়েছে যে যুদ্ধ এবং দীর্ঘদিনের নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরানের যে আর্থিক ক্ষতি হয়েছে, তার কোনও ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে না। অর্থাৎ ইরানকে এক পয়সাও দেবে না ওয়াশিংটন (Iran War)।
শুধু তাই নয়, আমেরিকার দাবি ইরানকে তাদের ৪০০ কেজি সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম তুলে দিতে হবে (Iran War)। পরমাণু কর্মসূচি নিয়েও কড়া অবস্থান নিয়েছে আমেরিকা। তারা জানিয়েছে, ইরানে শুধুমাত্র একটি পরমাণু গবেষণা কেন্দ্র চালু রাখা যাবে।
এছাড়াও আমেরিকার বিভিন্ন ব্যাঙ্কে ইরানের যে বিপুল পরিমাণ সম্পদ দীর্ঘদিন ধরে আটকে রাখা হয়েছে, তা পুরোপুরি ছাড়তে নারাজ ওয়াশিংটন। সূত্রের খবর, সেই সম্পদের ২৫ শতাংশও ফেরত দিতে রাজি নয় আমেরিকা।
সবচেয়ে বড় বিষয় হল, এত শর্ত মানার পরও আমেরিকা এবং ইজরায়েল ভবিষ্যতে ইরানের উপর আর হামলা চালাবে না, তার কোনও নিশ্চয়তা দেওয়া হয়নি (Iran War)। এই কারণেই ইরান আমেরিকার প্রস্তাবে রাজি নয় বলে জানা যাচ্ছে।
তেহরানের পক্ষ থেকে পাল্টা কয়েকটি শর্তও দেওয়া হয়েছে। ইরানের দাবি, সব ধরনের হামলা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। বিশেষ করে লেবাননে আক্রমণ বন্ধ করার কথা বলা হয়েছে। একইসঙ্গে ইরানের উপর থাকা সমস্ত নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।
ইরান আরও বলেছে, বিদেশে আটকে থাকা তাদের অর্থ ছেড়ে দিতে হবে। যুদ্ধের কারণে যে ক্ষতি হয়েছে, তার ক্ষতিপূরণও দিতে হবে। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালীর উপর নিজেদের সার্বভৌমত্বের বিষয়েও জোর দিয়েছে তেহরান।
ইরানের অভিযোগ, আমেরিকা কোনও ছাড় না দিয়েই নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির চেষ্টা করছে। ফলে দুই দেশের মধ্যে সংঘাত মেটার বদলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে বলেই মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা।
মেটা বিবরণ: যুদ্ধ থামাতে ইরানের সামনে একগুচ্ছ কড়া শর্ত রাখল আমেরিকা। ইউরেনিয়াম হস্তান্তর থেকে ফ্রিজ ফান্ড, একাধিক বিষয়ে চাপ ওয়াশিংটনের। পাল্টা শর্ত দিয়ে আমেরিকার প্রস্তাব মানতে নারাজ তেহরান।









