Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • বিদেশ
  • ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধ ঘিরে চাঞ্চল্য! সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে গোপনে মোতায়েন আধুনিক লেজার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা!
বিদেশ

ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধ ঘিরে চাঞ্চল্য! সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে গোপনে মোতায়েন আধুনিক লেজার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা!

iron beam
Email :3

ইরান ও ইজরায়েলের মধ্যে চলমান সংঘাতের সময় সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে গোপনে অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করেছে ইজরায়েল (Iran War), এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইজরায়েল তাদের নতুন লেজার ভিত্তিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আমিরশাহিতে পাঠিয়েছে। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে আকাশে আসা ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে ধ্বংস করা সম্ভব। পাশাপাশি “স্পেকট্রো” নামে একটি নজরদারি ব্যবস্থা ব্যবহার করা হয়েছে, যা প্রায় কুড়ি কিলোমিটার দূর থেকে ড্রোন শনাক্ত করতে পারে (Iran War)।

শুধু প্রযুক্তিই নয়, ইজরায়েল তাদের বিখ্যাত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা “আয়রন ডোম”ও সেখানে মোতায়েন করেছে বলে জানা গিয়েছে। এর পাশাপাশি কয়েক ডজন ইজরায়েলি সেনাও সেখানে পাঠানো হয়েছে, যারা এই ব্যবস্থাগুলি পরিচালনা করছে।

এই লেজার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মূলত একটি উচ্চ শক্তির লেজার রশ্মি ব্যবহার করে শত্রুর রকেট বা ড্রোন ধ্বংস করে দেয়। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই লক্ষ্যবস্তু নিষ্ক্রিয় করা সম্ভব হয় বলে দাবি করা হয়েছে (Iran War)।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, এই সংঘাতের সময় ইরান থেকে শতাধিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং হাজার হাজার ড্রোন ছোড়া হয়েছিল, যার লক্ষ্য ছিল সংযুক্ত আরব আমিরশাহি। তবে ইজরায়েল ও আমেরিকার সহায়তায় থাকা প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অধিকাংশ হামলা সফলভাবে প্রতিহত করেছে।

ইজরায়েল শুধু অস্ত্রই নয়, গোয়েন্দা তথ্যও আমিরশাহির সঙ্গে ভাগ করেছে বলে জানা গিয়েছে। এর মাধ্যমে ইরানের অভ্যন্তরে সম্ভাব্য হামলার আগাম সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।

এই সামরিক সহযোগিতার পেছনে রয়েছে কয়েক বছর আগে হওয়া কূটনৈতিক চুক্তি, যার মাধ্যমে ইজরায়েল ও কয়েকটি আরব দেশের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক হয়। সেই চুক্তির পর থেকেই প্রতিরক্ষা ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা বাড়তে থাকে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই নতুন সামরিক সহযোগিতা মধ্যপ্রাচ্যের ক্ষমতার ভারসাম্যে বড় পরিবর্তন আনতে পারে। ইরান-ইজরায়েল সংঘাত এখন শুধু দুই দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, বরং গোটা অঞ্চলের নিরাপত্তা ব্যবস্থার উপর প্রভাব ফেলছে।

সব মিলিয়ে গোপন লেজার অস্ত্র, ড্রোন শনাক্তকারী প্রযুক্তি এবং সেনা মোতায়েন—এই সব মিলিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে।

Related Tags:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts