অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে এবার আরও কড়া পদক্ষেপ নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। বুথে বুথে থাকবে সর্বক্ষণ নজরদারি, ব্যবহার করা হবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চালিত ক্যামেরা (Election Commission)। এর পাশাপাশি বুথের চারপাশে প্রায় একশো মিটার এলাকা সাদা চক দিয়ে বৃত্তাকারে ঘিরে ফেলা হবে। এই নির্দিষ্ট এলাকার ভেতরে শুধুমাত্র ভোটারদেরই প্রবেশের অনুমতি থাকবে, অন্য কারও ঢোকা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
ভোটারদের পরিচয় যাচাইয়ের জন্য বুথের বাইরে আলাদা ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে (Election Commission)। বুথ লেভেল অফিসার এবং তাঁর সহকারী এই নির্দিষ্ট সীমার বাইরে বসে ভোটারদের নথি পরীক্ষা করবেন। বুথের বাইরে টেবিল বসিয়ে সেখানেই সমস্ত যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।
ভোটার স্লিপ বিলির ক্ষেত্রেও এবার কড়া নির্দেশ জারি করেছে কমিশন। বাড়ি বাড়ি গিয়ে সরাসরি ভোটারদের হাতে স্লিপ তুলে দিতে হবে। যাঁদের হাতে স্লিপ পৌঁছনো যায়নি, তাঁদের বিস্তারিত তথ্য সংরক্ষণ করতে হবে। এমনকি ভোটের দিন সেই ভোটার উপস্থিত হলে কেন আগে স্লিপ নিতে পারেননি, তাও জানতে চাওয়া হতে পারে। সঠিক নথি এবং ছবির মিল দেখেই ভোট দেওয়ার অনুমতি মিলবে (Election Commission)।
ভুয়ো ভোট আটকাতে আরও একধাপ এগিয়ে যাচ্ছে কমিশন। অনুপস্থিত, স্থানান্তরিত বা মৃত ভোটারদের তালিকা আবার খতিয়ে দেখা হবে। নজরদারি আরও জোরদার করতে বিশেষ পর্যবেক্ষকদের পোশাকে থাকবে শরীরে লাগানো ক্যামেরা। বুথের আশপাশে কোনও সন্দেহজনক কিছু নজরে এলেই সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কমিশনের এই পদক্ষেপকে ভোট প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ ও নির্ভুল করার বড় উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ভোটারদের আস্থা ফেরাতে এবং সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতেই এই নতুন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা (Election Commission)।
অন্যদিকে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতেও উদ্যোগী হয়েছে কমিশন। ভোটের সময় কোন আচরণ অপরাধ হিসেবে ধরা হবে, তা নিয়ে আগাম প্রচার চালানো হবে। বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে ভোটারদের সতর্ক করার পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।












