আবারও শান্তি আলোচনার টেবিলে বসতে চলেছে ইরান এবং আমেরিকা। সূত্রের খবর, দুই দেশের প্রতিনিধিরা নতুন করে বৈঠকে অংশ (Peace Talk) নেবেন এবং আগের মতোই এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে পারে ইসলামাবাদে। ইতিমধ্যেই দুই পক্ষের প্রতিনিধিরা পৌঁছনোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
জানা গিয়েছে, যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে আগে থেকেই মধ্যস্থতাকারী (Peace Talk) দেশ কাতার, তুরস্ক এবং পাকিস্তান আলাদা করে আলোচনা করেছে। এই তিন দেশের নেতৃত্বই সংঘাত মেটাতে সক্রিয় ভূমিকা নিচ্ছে। এর আগে হওয়া বৈঠক কোনও ফল না দেওয়ায় এবার নতুন করে আশার আলো খোঁজা হচ্ছে।
আগামী ২১ এপ্রিল সাময়িক যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা (Peace Talk)। তার ঠিক আগের দিন, অর্থাৎ ২০ এপ্রিল এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। রবিবারের মধ্যেই দুই পক্ষের প্রতিনিধিরা পাকিস্তানে পৌঁছে যাবেন। এর আগে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সঙ্গে বৈঠক করেছেন কাতারের আমির তামিম বিন হামাদ আত থানি এবং তুরস্কের প্রেসিডেন্ট তায়েপ এরডোগান। আলোচনার মাধ্যমে সংঘাত মেটানোর পথ খুঁজতেই এই বৈঠক হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১১ এপ্রিল ইসলামাবাদেই দীর্ঘ ২১ ঘণ্টার বৈঠকে বসেছিল দুই দেশ (Peace Talk)। সেই বৈঠকে অংশ নিয়েছিলেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং ইরানের স্পিকারমহম্মদ ঘালিবাগ। তবে এত দীর্ঘ আলোচনার পরও কোনও সমাধানসূত্র মেলেনি। এবার সংঘর্ষবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার ঠিক আগেই আবার আলোচনা শুরু হচ্ছে, ফলে পরিস্থিতি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
এদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন, প্রয়োজন হলে তিনি নিজেও পাকিস্তানে যেতে পারেন। তাঁর বক্তব্য, যদি কোনও বড় চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, তাহলে তিনি সেখানে উপস্থিত থাকতে পারেন। এতে জল্পনা আরও বেড়েছে, এই বৈঠকে ঠিক কারা প্রতিনিধিত্ব করবেন তা নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
অন্যদিকে, ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতার ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। মোজতোবা খামেনেই এখনও প্রকাশ্যে আসেননি, ফলে তাঁর পক্ষ থেকে কে এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে যোগ দেবেন, তা স্পষ্ট নয়।
এই পরিস্থিতিতে আসন্ন শান্তি বৈঠক ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলের নজর এখন ইসলামাবাদের দিকেই। সমাধান না মিললে আবার সংঘর্ষ শুরু হওয়ার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।













