ভোটের আগে কড়া পদক্ষেপ নিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। তৃণমূলের হয়ে প্রচারের অভিযোগে উত্তর চব্বিশ পরগনা ও বীরভূমের মোট পাঁচ জন বিএলওকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। একইসঙ্গে বিধাননগরের পুলিশ কমিশনার মুরলিধরকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং তাঁর জায়গায় নতুন আধিকারিক নিয়োগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নির্বাচন কমিশন (Election Commission) জানিয়েছে, অভিযুক্ত বিএলওদের বিরুদ্ধে সরাসরি একটি রাজনৈতিক দলের হয়ে কাজ করার অভিযোগ ছিল। উত্তর চব্বিশ পরগনার বারাসতের তিন জন বিএলও এবং বীরভূমের দু’জন বিএলও এই তালিকায় রয়েছেন। এর আগে তাঁদের শোকজ করা হয়েছিল, কিন্তু সন্তোষজনক জবাব না পাওয়ায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। একজন অভিযুক্ত শোকজের জবাব দিতেও অস্বীকার করেছেন বলে জানা গিয়েছে।
কমিশনের (Election Commission) দাবি, কয়েকজন বিএলও দলীয় দেওয়াল লিখছিলেন। আবার কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি দলীয় কার্যালয়ে বসে ভোটারদের স্লিপ বিলি করছিলেন। অন্য একজনের ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে, তিনি ভোটার স্লিপ বিলি করতে গিয়ে যে সাইকেল ব্যবহার করছিলেন, তাতে একটি রাজনৈতিক দলের পতাকা লাগানো ছিল।
এই ঘটনার পর তাঁদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের পাশাপাশি আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, এই ধরনের কাজ নির্বাচন প্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতার পরিপন্থী।
এদিকে একই দিনে বিধাননগরের পুলিশ কমিশনারকেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁর পরিবর্তে নতুন আধিকারিক নিয়োগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং দ্রুত সেই নির্দেশ কার্যকর করার কথা বলা হয়েছে।
ভোটের আগে এই সিদ্ধান্তে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। কমিশনের এই কড়া পদক্ষেপে নির্বাচনকে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ রাখার বার্তাই স্পষ্ট বলে মনে করা হচ্ছে।












