ক্রেমলিন সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ফোনালাপ প্রায় দেড় ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলে এবং তা ছিল খোলামেলা ও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা। মূলত মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি, বিশেষ করে ইরান এবং পারস্য উপসাগরকে ঘিরে উত্তেজনা নিয়েই বেশি কথা হয় (Vladimir Putin)।
পুতিন (Vladimir Putin) ট্রাম্পের ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির সময় বাড়ানোর সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁর মতে, এই সিদ্ধান্ত আলোচনার পথ খুলে দিতে পারে এবং পরিস্থিতি কিছুটা স্থিতিশীল করতে সাহায্য করবে। তবে তিনি একইসঙ্গে সতর্ক করে দিয়েছেন, যদি আবার যুদ্ধ শুরু হয়, তাহলে তার প্রভাব শুধু ইরান বা তার প্রতিবেশী দেশেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, গোটা বিশ্বই তার ফল ভোগ করবে।
রাশিয়া জানিয়েছে, তারা মধ্যপ্রাচ্যের এই পরিস্থিতিতে কূটনৈতিকভাবে সমাধান খোঁজার পক্ষেই রয়েছে এবং সব রকমভাবে সেই প্রচেষ্টাকে সমর্থন করবে (Vladimir Putin)।
এই ফোনালাপে ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়েও আলোচনা হয়েছে। রাশিয়া জানিয়েছে, বর্তমানে যুদ্ধক্ষেত্রে তাদের সেনাবাহিনী কৌশলগতভাবে এগিয়ে রয়েছে। দুই দেশের নেতৃত্বই ইউক্রেনের বর্তমান সরকারের সমালোচনা করেছেন এবং অভিযোগ করেছেন যে ইউরোপের সমর্থনে তারা এই যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করছে (Vladimir Putin)।
অন্যদিকে, ট্রাম্প জানিয়েছেন, পুতিন কিছুটা হলেও সংঘাত কমানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, খুব দ্রুতই এই পরিস্থিতির সমাধান হতে পারে। ট্রাম্পের কথায়, পুতিন আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান চান এবং সেই দিকেই এগোনোর সম্ভাবনা রয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ফোনালাপ আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত বহন করছে। ইরান, ইউক্রেন এবং বিশ্ব পরিস্থিতি—সব মিলিয়ে আগামী দিনে বড় কোনও সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।












