Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • বিদেশ
  • তাইওয়ান নিয়ে সুর বদল ট্রাম্পের! চিনকে খুশি করতে বড় বার্তা আমেরিকার প্রেসিডেন্টের
বিদেশ

তাইওয়ান নিয়ে সুর বদল ট্রাম্পের! চিনকে খুশি করতে বড় বার্তা আমেরিকার প্রেসিডেন্টের

trump and xi jinping a
Email :2

চিন সফরের পর তাইওয়ান ইস্যুতে বড় ইঙ্গিত দিলেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকের পর ট্রাম্পের মন্তব্য ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। ট্রাম্প জানিয়েছেন, তাইওয়ানকে কেন্দ্র করে নতুন কোনও যুদ্ধ চায় না আমেরিকা। তাঁর কথায়, পৃথিবীর অন্য প্রান্তে আর একটি সংঘাতের প্রয়োজন নেই।

সূত্রের খবর, বৈঠকে শি জিনপিং স্পষ্টভাবে ট্রাম্পকে সতর্ক করেছিলেন। তিনি (Donald Trump) জানান, তাইওয়ান ইস্যু ভুলভাবে সামলানো হলে আমেরিকা এবং চিনের মধ্যে সরাসরি সংঘর্ষও তৈরি হতে পারে। এরপরই ট্রাম্পের মন্তব্যে নয়া জল্পনা তৈরি হয়েছে।

চিন দীর্ঘদিন ধরেই তাইওয়ানকে নিজেদের অংশ বলে দাবি করে আসছে। বেজিংয়ের অবস্থান, তাইওয়ান একদিন চিনের সঙ্গে যুক্ত হবেই। শান্তিপূর্ণভাবে সম্ভব না হলে প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগের পথেও হাঁটতে পারে তারা। তাইওয়ানের স্বাধীনতার দাবিকে চিন সবসময়ই বড় হুমকি হিসেবে দেখে।

অন্যদিকে, তাইওয়ান কার্যত স্বাধীন গণতান্ত্রিক প্রশাসন হিসেবেই পরিচালিত হয়। তাদের নিজস্ব সরকার, সেনাবাহিনী এবং প্রশাসনিক কাঠামো রয়েছে। তবুও আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে বিষয়টি অত্যন্ত স্পর্শকাতর।

আমেরিকা (Donald Trump) দীর্ঘদিন ধরেই ‘এক চিন নীতি’ মেনে চলে। অর্থাৎ সরকারি ভাবে চিনকেই স্বীকৃতি দেয় ওয়াশিংটন। তবে একই সঙ্গে তাইওয়ানের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক সম্পর্ক বজায় রেখেছে আমেরিকা। তাইওয়ানের সবচেয়ে বড় অস্ত্র সরবরাহকারী দেশও আমেরিকা।

এর আগেও ট্রাম্প (Donald Trump) তাইওয়ান ইস্যুতে একাধিক বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন। তিনি প্রশ্ন তুলেছিলেন, তাইওয়ানের নিরাপত্তার দায়িত্ব সবসময় আমেরিকাকেই কেন নিতে হবে। তাঁর মতে, নিজেদের নিরাপত্তার জন্য তাইওয়ানেরও আরও বেশি খরচ করা উচিত।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্য চিনকে কিছুটা স্বস্তি দিতে পারে। কারণ এতে মনে করা হচ্ছে, আমেরিকা আপাতত তাইওয়ানের স্বাধীনতাকে সরাসরি সমর্থন করার পথে হাঁটছে না।

যদিও তাইওয়ানের তরফে জানানো হয়েছে, এই বৈঠকের ফলাফলে তারা অবাক নয়। তবে তারা চিনকে তাইওয়ানের চারপাশে সামরিক চাপ বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে। তাইপের দাবি, এই সামরিক চাপই গোটা অঞ্চলের স্থিতিশীলতার জন্য সবচেয়ে বড় বিপদ।

ট্রাম্প-শি বৈঠকে কোনও বড় নীতিগত ঘোষণা না হলেও আন্তর্জাতিক মহলের মতে, ভবিষ্যতে আমেরিকা ও চিনের মধ্যে সবচেয়ে বড় সংঘাতের কারণ হয়ে উঠতে পারে তাইওয়ান ইস্যুই।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts