ভিডিও বার্তায় ইভিএম পাহারা দেওয়ার কথা বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বৃষ্টির মধ্যে ভবানীপুরের শেখাওয়াত মেমোরিয়ালের স্ট্রংরুমে পৌঁছলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তিনি আগেই কারচুপির আশঙ্কা প্রকাশ করে কড়া নজরদারির নির্দেশ দিয়েছিলেন।
এর আগে সন্ধ্যায় ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে অবস্থান বিক্ষোভে বসেন কুণাল ঘোষ, শশী পাঁজা এবং বিজয় উপাধ্যায়। তাঁদের অভিযোগ, স্ট্রংরুমের ভিতরে সন্দেহজনক কাজ চলছে। তাঁদের দাবি, লাইভ সম্প্রচারে দেখা যাচ্ছে ভিতরে কিছু কার্যকলাপ হচ্ছে, অথচ কর্তৃপক্ষ তা অস্বীকার করছে (Mamata Banerjee)।
কুণাল ঘোষ অভিযোগ করেন, বিকেল পর্যন্ত স্ট্রংরুমের সামনে তাঁদের কর্মীরা ছিলেন। পরে তাঁদের সরিয়ে দেওয়া হয় এবং হঠাৎ করে জানানো হয় স্ট্রংরুম খোলা হবে। কিন্তু তখন তাঁদের ঢুকতে দেওয়া হয়নি। তাঁর প্রশ্ন, যদি জানানো হয়ে থাকে, তাহলে ঢুকতে বাধা দেওয়া হল কেন (Mamata Banerjee)।
শশী পাঁজাও বলেন, স্ট্রংরুম খুবই সংবেদনশীল জায়গা। তা খোলা হলে সব রাজনৈতিক দলকে জানানো উচিত ছিল। কেন তা করা হয়নি, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি।
এই পরিস্থিতিতে জেলা নির্বাচনী আধিকারিক স্মিতা পাণ্ডে ঘটনাস্থলে পৌঁছন। তাঁর উপস্থিতিতে কুণাল ও শশী স্ট্রংরুমের ভিতরে যান। এতে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয় এবং তারা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। স্ট্রংরুমের বাইরে দুই পক্ষের মধ্যে বচসাও হয়।
পরে রাতের দিকে কুণাল ঘোষ জানান, নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা হয়েছে। তাঁদের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, তৃণমূলের প্রতিনিধিরা না থাকলে আর কাউকে স্ট্রংরুমে ঢুকতে দেওয়া হবে না। এরপরই বিক্ষোভ তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং কর্মীদের সরে যেতে বলা হয়।
এই ঘটনার খবর পাওয়ার পরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে ভবানীপুরের স্ট্রংরুমে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। ফলে ভোট-পরবর্তী পরিস্থিতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।










