সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর বারাকা পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রে ড্রোন হামলার ঘটনায় তীব্র উদ্বেগ ছড়িয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে। সোমবার এই হামলার জেরে পরমাণু কেন্দ্রের বাইরে একটি বৈদ্যুতিক জেনারেটরে আগুন ধরে যায় (Nucler Facility Attack)। যদিও এই ঘটনায় কোনও হতাহতের খবর মেলেনি, তবু তেজস্ক্রিয়তা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় আতঙ্ক তৈরি হয়।
আমিরশাহীর পরমাণু নিয়ন্ত্রক সংস্থা জানিয়েছে, হামলার পর পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তেজস্ক্রিয়তার মাত্রাও স্বাভাবিক আছে বলে দাবি করা হয়েছে (Nucler Facility Attack)। তবে এই হামলাকে ঘিরে নতুন করে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছে ভারত। সোমবার বিদেশ মন্ত্রকের তরফে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর একমাত্র পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার ঘটনায় ভারত গভীরভাবে উদ্বিগ্ন (Nucler Facility Attack)। এই ধরনের হামলাকে অত্যন্ত বিপজ্জনক বলে উল্লেখ করেছে নয়াদিল্লি।
ভারতের বক্তব্য, পরমাণু কেন্দ্রকে লক্ষ্য করে হামলা কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। এতে বড় ধরনের পরিবেশগত এবং মানবিক বিপর্যয় তৈরি হতে পারে। তাই অবিলম্বে সব পক্ষকে সংযম দেখানোর এবং ফের আলোচনার পথে ফেরার আহ্বান জানিয়েছে ভারত।
আমিরশাহি প্রশাসনের দাবি, রবিবার রাতে ড্রোন হামলার জেরে বারাকা পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রের কাছে আগুন লাগে। এই ঘটনাকে ‘অযৌক্তিক সন্ত্রাসী হামলা’ বলেও বর্ণনা করা হয়েছে। যদিও এখনও পর্যন্ত কোনও জঙ্গি সংগঠন বা গোষ্ঠী এই হামলার দায় স্বীকার করেনি।
এর আগে একাধিকবার আমিরশাহীর আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ড্রোন হামলা প্রতিহত করতে সক্ষম হয়েছিল। কিন্তু এবার একটি ড্রোন পরমাণু কেন্দ্রের বাইরের অংশে হামলা চালাতে সফল হওয়ায় উদ্বেগ আরও বেড়েছে। আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, পরমাণু স্থাপনায় হামলা হলে তার প্রভাব বহু দূর পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়তে পারে। তাই এই ঘটনাকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।
মেটা বিবরণ: সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর বারাকা পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রে ভয়াবহ ড্রোন হামলা। আগুন লাগে কেন্দ্রের বাইরে। তেজস্ক্রিয়তার আশঙ্কা তৈরি হতেই উদ্বেগ প্রকাশ ভারতের। পরিস্থিতিকে বিপজ্জনক বলে সতর্কবার্তা নয়াদিল্লির।










