ইরানকে ঘিরে যুদ্ধ পরিস্থিতি এখনও কাটেনি। মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়তেই আবারও বেড়ে চলেছে অপরিশোধিত তেলের দাম (Crude Oil)। হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল সরবরাহে সমস্যা হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম দ্রুত বাড়ছে। বর্তমানে প্রতি ব্যারেল তেলের দাম একশো কুড়ি ডলার ছাড়িয়ে গিয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে দেখা যায়, ব্রেন্ট তেলের দাম প্রায় আড়াই শতাংশ বেড়ে একশো একুশ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছেছে (Crude Oil)। অন্যদিকে ওয়েস্ট টেক্সাস তেলের দামও বেড়ে একশো আট ডলারের বেশি হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, এই পরিস্থিতি চলতে থাকলে খুব শিগগিরই তেলের দাম একশো পঞ্চাশ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে।
গত মাসেও যুদ্ধের কারণে তেলের দাম বেড়েছিল। পরে কিছু সময়ের জন্য পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়েছিল। কিন্তু এখন আবার হরমুজ প্রণালী ঘিরে উত্তেজনা বেড়েছে। ইরান ও আমেরিকার মধ্যে চাপানউতোর চলছেই। কোনও স্থায়ী সমাধান এখনও পাওয়া যায়নি (Crude Oil)।
এই পরিস্থিতিতে ভারতের মতো দেশের উদ্বেগ আরও বেড়েছে। কারণ দেশের জ্বালানির বড় অংশই বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়লে তার সরাসরি প্রভাব পড়বে দেশের অর্থনীতিতে।
তেলের দাম বাড়লে পেট্রোল ও ডিজেলের দামও বাড়ার সম্ভাবনা থাকে। এতে পরিবহণ খরচ বেড়ে যায়। বিমান ভাড়া থেকে শুরু করে পণ্য পরিবহণ সব কিছুর খরচ বাড়তে পারে। এর প্রভাব পড়বে বিভিন্ন শিল্পে, যেমন রং, টায়ার এবং রাসায়নিক কারখানায়। উৎপাদনের খরচ বাড়লে শেষ পর্যন্ত তার চাপ পড়বে সাধারণ মানুষের উপর। এতে মুদ্রাস্ফীতিও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।











