তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) অন্দরে অস্বস্তি ও বিদ্রোহের জল্পনা ক্রমশ জোরালো হচ্ছে। রাজনৈতিক মহলে এখন সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে বিরোধী শিবিরের একাংশ বিধায়কদের অবস্থান নিয়ে। সূত্রের খবর, প্রায় ৫০ জন বিধায়ক একসঙ্গে একটি চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন। সেই চিঠি খুব শীঘ্রই বিধানসভার অধ্যক্ষ রথীন্দ্রনাথ বসুর কাছে জমা দেওয়া হতে পারে (TMC)।
জানা গিয়েছে, বিদ্রোহী শিবিরের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি প্রায় সম্পূর্ণ। মঙ্গলবারই চিঠি জমা দেওয়ার পরিকল্পনা থাকলেও তা পিছিয়ে বুধবার হতে পারে বলে খবর (TMC)। রাজনৈতিক সূত্রে দাবি, সদ্য তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে এই গোষ্ঠীর মুখ বা নেতা হিসেবে সামনে আনা হতে পারে। তাঁদের দাবি, প্রকৃত তৃণমূল তাঁরাই এবং বিরোধী দলের স্বীকৃতিও তাঁদের প্রাপ্য।
এই পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছে। বিজেপি বিধায়ক তাপস রায় বলেন, তৃণমূলের (TMC) বর্তমান পরিস্থিতি দেখে এমন ঘটনা অপ্রত্যাশিত নয়। তাঁর কথায়, এটি সম্পূর্ণ তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ বিষয়। তবে এত সংখ্যক বিধায়ক যদি একসঙ্গে কোনও দাবি তোলেন, তাহলে তা গুরুত্ব পেতেই পারে। একইসঙ্গে তিনি দাবি করেন, তৃণমূল নিজেদের কাজের ফল ভোগ করছে।
অন্যদিকে তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ বিদ্রোহের জল্পনা নিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন। তিনি বলেন, দলের প্রতীক ও নেতৃত্বের মুখকে সামনে রেখেই সবাই নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন। সেই বাস্তবতা ভুলে যাওয়া উচিত নয়।
তবে বহিষ্কৃত বিধায়ক (TMC) ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এই সমস্ত জল্পনাকে গুরুত্ব দিতে চাননি। তিনি বলেন, যদি এমন কিছু সত্যিই ঘটে থাকে, তাহলে তাঁকে অত্যন্ত ক্ষমতাশালী ব্যক্তি বলতে হবে। তাঁর দাবি, এ ধরনের কোনও তথ্য তাঁর কাছে নেই।
সব মিলিয়ে তৃণমূলের অন্দরের এই টানাপোড়েন এবং সম্ভাব্য শক্তিপ্রদর্শন ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। আগামী কয়েক দিনের রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহের দিকে নজর রয়েছে সকলের।












