বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর প্রথম বড় রাজনৈতিক বার্তা দিলেন সুস্মিতা দেব (Susmita Dev)। রাজ্যসভার প্রার্থী ঘোষণার পর এক সাক্ষাৎকারে তিনি তৃণমূলের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তোলেন। পাশাপাশি কেন তিনি বিজেপিতে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, সেই কারণও বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন।
সুস্মিতা দেবের (Susmita Dev) দাবি, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তৃণমূলের ভিত দুর্বল হয়ে পড়েছে। তাঁর অভিযোগ, দলের অন্দরে বিভাজন এবং দুর্নীতির অভিযোগ সাধারণ মানুষের সামনে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, যদি দলের নেতারাই একে অপরের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তোলেন, তাহলে সেই পরিস্থিতির দায় কে নেবে।
ফলতা কেন্দ্রের পুনর্নির্বাচনের প্রসঙ্গও টেনে আনেন তিনি। তাঁর প্রশ্ন, দল যদি এতটাই আত্মবিশ্বাসী হয়, তাহলে শীর্ষ নেতৃত্ব কেন সেখানে প্রচারে গেল না। এই বিষয়টি নিয়েও তিনি তৃণমূল নেতৃত্বকে সরাসরি আক্রমণ করেন (Susmita Dev)।
তৃণমূলের একাধিক সাংসদ নতুন রাজনৈতিক শিবিরে যোগ দেওয়ার প্রসঙ্গেও মন্তব্য করেন সুস্মিতা দেব। তিনি বলেন, তৃণমূল যদি উপনির্বাচনের দাবি তোলে, তাহলে সেই নির্বাচনে তারা আগের মতোই সক্রিয়ভাবে প্রচারে নামবে কি না, সেই প্রশ্নেরও উত্তর দেওয়া উচিত (Susmita Dev)।
দুর্নীতির অভিযোগ নিয়েও তিনি তৃণমূলকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। তাঁর বক্তব্য, যদি কোনও অনিয়ম না হয়ে থাকে, তাহলে তদন্তের মুখে পড়ে ভয়ের কারণ কী। এই প্রশ্ন তুলে তিনি বিরোধী শিবিরের অবস্থান নিয়েও কটাক্ষ করেন।
বিজেপিতে নিজের ভবিষ্যৎ ভূমিকা নিয়েও স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন সুস্মিতা দেব। তিনি বলেন, অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বেই তিনি কাজ করবেন। তাঁদের অভিজ্ঞতাকে সম্মান জানিয়ে দলের নির্দেশ মেনেই রাজনীতি করতে চান বলেও জানান তিনি।
বাবা সন্তোষমোহন দেব দীর্ঘদিন কংগ্রেসের অন্যতম পরিচিত নেতা ছিলেন। সেই প্রসঙ্গ উঠতেই সুস্মিতা দেব বলেন, তিনি বাবার আদর্শ থেকে সরে আসেননি। তাঁর মতে, রাজনৈতিক মতাদর্শ পরিবর্তন করাই অপরাধ নয়। কোনও রাজনৈতিক দলকে বিচার করার আগে নিরপেক্ষভাবে তার কাজ এবং আদর্শকে দেখা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।











