সোমবার থেকেই শুরু হয়েছে ভোট ঘিরে কড়া নজরদারি। উত্তরপ্রদেশ থেকে আসা এক আইপিএস অফিসার বাংলায় দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই দুষ্কৃতীদের নিয়ন্ত্রণে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে (Falta)। ভোটারদের ভয় দেখানো রুখতে মঙ্গলবার রাত থেকেই টানা টহল চালাচ্ছে বাহিনী। এবার আরও কঠোর অবস্থানে কেন্দ্রীয় বাহিনী।
সকাল সাড়ে এগারোটার সময় ডায়মন্ড হারবার এলাকার বিভিন্ন বুথ পরিদর্শন করেন অজয় পাল শর্মা (Falta)। পরে তিনি ডায়মন্ড হারবার সংলগ্ন সিআরপিএফ ক্যাম্পে যান। সেখানে উপস্থিত ছিলেন ডিজি জি পি সিং। তাঁদের মধ্যে দীর্ঘক্ষণ বৈঠক হয় বলে জানা গিয়েছে। মূলত কেন্দ্রীয় বাহিনী কীভাবে মোতায়েন করা হবে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা কেমন হবে, সেই বিষয়েই আলোচনা হয়।
এরই মধ্যে ফলতা (Falta) বেলসিংহা অবৈতনিক বিদ্যালয় এলাকায় লাঠিচার্জের ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, দীর্ঘক্ষণ ধরে প্রায় একশো মিটার এলাকায় জমায়েত ছিল। বারবার সতর্ক করার পরও জমায়েত না সরায় শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
দুপুরের দিকে ফলতা বিধানসভার (Falta) দক্ষিণ বাসুলনাথ গ্রামে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে ভোটারদের ভোট দিতে না যাওয়ার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। খবর পেয়ে সেখানে পৌঁছন সিআরপিএফের আইজি। এরপর গ্রামে টহল শুরু করে কেন্দ্রীয় বাহিনী, যাতে ভোটাররা ভয়মুক্তভাবে ভোট দিতে পারেন।
অন্যদিকে বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পান্ডা অভিযোগ করেন, ফলতার একাধিক বুথে ইভিএমে টেপ লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি বেলসিংহার একটি বুথ পরিদর্শনে গেলে তাঁকে ইভিএম দেখতে দেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ করেন। তিনি জানান, বিষয়টি তিনি নির্বাচন কমিশনের কাছে জানাবেন। একই সঙ্গে বুথ ঘিরে রাখার অভিযোগও তোলেন তিনি। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় বাহিনী গিয়ে লাঠি উঁচিয়ে জমায়েত সরায়।
এর পাশাপাশি আরও অভিযোগ ওঠে যে ফলতার কয়েকটি বুথে ইভিএমে আতর লাগানো হয়েছে। বিষয়টি কমিশনের কাছে পৌঁছেছে এবং পুরো ঘটনার রিপোর্ট তলব করা হয়েছে। কমিশন জানিয়েছে, অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট বুথে পুনরায় ভোট গ্রহণ করা হতে পারে।













