নেপালে পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন বলে অভিযোগ। তবে শেষ পর্যন্ত সেই চেষ্টা সফল হয়নি। নেপাল সীমান্ত থেকে জাহাঙ্গির খানকে (Jahangir Khan) গ্রেফতার করে বেঙ্গল এসটিএফ। মঙ্গলবার তাঁকে ডায়মন্ড হারবার আদালতে পেশ করা হলে সেখানে এক নাটকীয় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
একসময় দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা এলাকায় অত্যন্ত প্রভাবশালী নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন জাহাঙ্গির খান (Jahangir Khan)। স্থানীয় রাজনীতিতে তাঁর যথেষ্ট প্রভাব ছিল বলেই পরিচিত মহলের দাবি। তবে সাম্প্রতিক ঘটনায় তিনি এখন আইনগত জটিলতার মুখে।
মঙ্গলবার দুপুরে ডায়মন্ড হারবার মহকুমা আদালতে জাহাঙ্গির খানকে (Jahangir Khan) আনা হয়। আদালতে ঢোকার সময় তাঁর মুখে উদ্বেগের ছাপ স্পষ্ট ছিল বলে উপস্থিত ব্যক্তিদের একাংশের দাবি। এজলাসে উপস্থিত ছিলেন বহু আইনজীবী এবং পুলিশ আধিকারিক।
পুলিশের পক্ষ থেকে জাহাঙ্গির খানকে (Jahangir Khan) দীর্ঘ সময়ের জন্য হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানানো হয়। শুনানি শেষে আদালত তাঁকে পাঁচ দিনের পুলিশি হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেয়।
শুনানির সময় বিচারক জাহাঙ্গির খানের কাছে কয়েকটি প্রশ্ন করেন। বিচারক জানতে চান, তাঁর পক্ষে কোনও আইনজীবী উপস্থিত নেই কেন এবং গ্রেফতারের কারণ সম্পর্কে তিনি অবগত কি না। জাহাঙ্গির সংক্ষিপ্ত উত্তর দেন এবং বিশেষ কোনও মন্তব্য করেননি।
প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, জাহাঙ্গির খানকে (Jahangir Khan) আদালতে আনার সময় বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। এলাকায় তাঁর বিরুদ্ধে মানুষের ক্ষোভ রয়েছে বলে মনে করে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করে।
সূত্রের খবর, ভোর হওয়ার আগেই তাঁকে আদালতের লক-আপে নিয়ে আসা হয়। আদালত চত্বরে যাতে ভিড় বা উত্তেজনা তৈরি না হয়, সেই কারণেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।
জাহাঙ্গির খানকে ঘিরে এই ঘটনায় রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। এখন তদন্তে কী নতুন তথ্য সামনে আসে এবং পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে কী তথ্য মেলে, সেদিকেই নজর রয়েছে।












