এই আইপিএস অফিসারকে নির্বাচন কমিশন এ রাজ্যে বিশেষ দায়িত্বে পাঠিয়েছে। কাজে যোগ দেওয়ার দু’দিনের মধ্যেই তিনি দক্ষিণ ২৪ পরগনার একাধিক উত্তপ্ত এলাকায় গিয়ে কঠোর বার্তা দিয়েছেন (Ajay Pal Sharma)।
ভাঙড়, ক্যানিং, মিনাখাঁ ও বাসন্তীর মতো এলাকায় বারবার অশান্তির খবর মিলেছে। সেই পরিস্থিতিতে ফলতা এলাকায় গিয়ে তিনি সরাসরি সতর্ক করেন। একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, তিনি স্থানীয়দের উদ্দেশ্যে বলছেন, কোনওরকম গোলমাল করলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং পরে অনুতাপ করে লাভ হবে না (Ajay Pal Sharma)।
জানা গিয়েছে, তিনি ফলতার এক তৃণমূল প্রার্থীর বাড়ির কাছেও যান এবং সেখানেও একইভাবে সতর্ক করেন। তাঁর সঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যরাও ছিলেন। ওই ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়তেই নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। যদিও ভিডিওটির সত্যতা আলাদাভাবে যাচাই করা হয়নি (Ajay Pal Sharma)।
দ্বিতীয় দফার ভোট শান্তিপূর্ণ করতে নির্বাচন কমিশন মোট ১১ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছে। তার মধ্যে দক্ষিণ ২৪ পরগনায় রয়েছে তিনজন। অজয় পাল শর্মা উত্তরপ্রদেশ পুলিশের উচ্চপদস্থ অফিসার এবং কড়া ভাবমূর্তির জন্য পরিচিত। তাঁকে এই দায়িত্ব দেওয়ায় ইতিমধ্যেই নানা প্রশ্ন উঠেছে।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। বিরোধীরা বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছে। অন্যদিকে তৃণমূলের দাবি, পরিকল্পিতভাবে এই ভিডিও ছড়িয়ে বিভ্রান্তি তৈরি করা হচ্ছে।
ফলতার এক বিজেপি প্রার্থী অভিযোগ করেছেন, পুলিশকে ব্যবহার করে অশান্তি তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য এমন অফিসারের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। যদিও তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপ যে রাজনৈতিকভাবে ব্যাখ্যা করা হবে, তা স্পষ্ট।













