কলকাতার উত্তর ও দক্ষিণ দুই অংশেই অসংখ্য অলি-গলি রয়েছে। ভোটকে কেন্দ্র করে এই সংকীর্ণ গলিগুলিকে বিশেষভাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। দক্ষিণ কলকাতায় মোট ৪৫৮টি গলিতে নতুন করে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, উত্তর কলকাতায় ২৭০টি গলি চিহ্নিত করে সেখানে নজরদারি আরও জোরদার করা হবে (Election Security)।
এর পাশাপাশি বেশ কিছু সরু গলিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে নিয়মিত টহলদারি চালাবে পুলিশ। যাতে কোনও রকম অশান্তি বা সমস্যা তৈরি না হয়, তার জন্য আগাম প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে (Election Security)।
এবার কলকাতার যেসব বহুতল ভবনে ভোটকেন্দ্র তৈরি করা হচ্ছে, সেখানে বাসিন্দাদের আগেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। ভোটের দিন বা তার আগের দিন যে পরিচারিকারা কাজে আসবেন, তাঁদের পরিচয় আগাম জানাতে হবে। একটি তালিকা তৈরি করে তা জমা দিতে বলা হয়েছে (Election Security)।
নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনই তাদের প্রধান লক্ষ্য। প্রথম দফার ভোটে যেসব সমস্যা বা ত্রুটি দেখা গিয়েছিল, সেগুলি সংশোধন করে দ্বিতীয় দফায় আরও সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কলকাতা পুলিশের কমিশনার অজয় নন্দ এবং কলকাতা উত্তরের জেলা নির্বাচন আধিকারিক স্মিতা পাণ্ডে জানিয়েছেন, ভয়মুক্ত ও অবাধ নির্বাচন নিশ্চিত করাই প্রশাসনের মূল লক্ষ্য।
উল্লেখ্য, আগামী ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ হবে। এই দফায় মোট ১৪২টি আসনে ভোট হবে। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই পর্যায়ে ২৩২১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে। পাশাপাশি রাজ্য পুলিশের ৩৮ হাজার ২৯৭ জন কর্মী দায়িত্বে থাকবেন।












