বঙ্গ ভোটের আগে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কড়া অবস্থান নিল নির্বাচন কমিশন। ভবানীপুরে সাম্প্রতিক অশান্তির ঘটনায় চার জন পুলিশ আধিকারিককে সাসপেন্ড করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি তাঁদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তও শুরু করার কথা জানিয়েছে কমিশন (Bhabanipur)।
গত বৃহস্পতিবার ভবানীপুরে (Bhabanipur) একটি রোড শোকে ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়। ওই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। এই সময় তৃণমূল ও বিজেপি কর্মী সমর্থকদের মধ্যে বচসা থেকে সংঘর্ষ শুরু হয়। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
এই ঘটনার পরই নির্বাচন কমিশন কঠোর পদক্ষেপ নেয়। সাসপেন্ড করা হয়েছে দক্ষিণ বিভাগের এক ডেপুটি কমিশনার সিদ্ধার্থ দত্ত, আলিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক প্রিয়ঙ্কর চক্রবর্তী, অতিরিক্ত আধিকারিক চন্ডীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সার্জেন্ট সৌরভ চট্টোপাধ্যায়কে (Bhabanipur)। কমিশন জানিয়েছে, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এই নির্দেশ কার্যকর করতে হবে এবং রিপোর্ট জমা দিতে হবে।
এর আগে একই ঘটনায় দুই ডেপুটি কমিশনারকে কারণ দর্শানোর নোটিস দেওয়া হয়েছিল। অভিযোগ, এত বড় কর্মসূচির জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা কেন ছিল না এবং কীভাবে অনুমতি ছাড়া বড় জমায়েত হল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এই বিষয়েই তাঁদের জবাব তলব করা হয়েছিল (Bhabanipur)।
ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই ভবানীপুরে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে। একদিকে বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী, অন্যদিকে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রোড শো চলাকালীন দুই পক্ষের মধ্যে স্লোগানবাজি শুরু হয় এবং পরে তা হাতাহাতিতে গড়ায়। এর ফলে গোটা এলাকা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
এই ঘটনার পর নির্বাচন কমিশনের কড়া পদক্ষেপে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে যে, ভোটের আগে আইনশৃঙ্খলা নিয়ে কোনওরকম গাফিলতি বরদাস্ত করা হবে না।











