ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পর রাজনৈতিক দলগুলি জোরকদমে প্রচারে নেমেছে (Voter List)। কিন্তু রাজ্যের প্রায় ষাট লক্ষ ভোটার এখনও জানেন না, তাঁরা এবারের নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন কি না। তাঁদের নাম এখনও বিবেচনাধীন তালিকায় রয়েছে, যা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে (Voter List)।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, গত আটাশ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়। সেই তালিকায় প্রায় ষাট লক্ষ ভোটারের নাম বিবেচনাধীন রাখা হয়েছে। এরপর দুই সপ্তাহের বেশি সময় কেটে গিয়েছে। বিচার বিভাগীয় আধিকারিকরা সেই সব নাম যাচাই করে নিষ্পত্তি করছেন (Voter List)।
এখনও পর্যন্ত প্রায় একুশ লক্ষ ভোটারের নামের নিষ্পত্তি হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। কমিশনের বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত জানিয়েছেন, এই সপ্তাহের মধ্যেই প্রথম সম্পূরক তালিকা প্রকাশ হতে পারে। তিনি বলেন, খুব শীঘ্রই নিষ্পত্তি হওয়া নামগুলি কমিশনের কাছে পৌঁছবে এবং বর্তমান পরিস্থিতিতে শুক্রবার বা শনিবার সেই তালিকা প্রকাশের সম্ভাবনা রয়েছে (Voter List)।
তবে বড় প্রশ্ন রয়ে গিয়েছে বাকি প্রায় উনচল্লিশ লক্ষ ভোটারকে নিয়ে। ভোটের আগে এত কম সময়ের মধ্যে তাঁদের নামের নিষ্পত্তি করা সম্ভব কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। কারণ রাজ্যে দুই দফায় ভোট হবে তেইশ ও উনত্রিশ এপ্রিল, ফলে সময় খুবই সীমিত (Voter List)।
যাঁদের নাম বাদ পড়বে, তাঁদের ট্রাইব্যুনালে যাওয়ার সুযোগ থাকবে। কিন্তু সেই প্রক্রিয়া কখন শুরু হবে এবং কত সময় দেওয়া হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
এই পরিস্থিতিতে তৃণমূল কংগ্রেস কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য অভিযোগ করেছেন, বিষয়টির দায় হাইকোর্টের উপর চাপানোর চেষ্টা হচ্ছে। তিনি বলেন, বিচারব্যবস্থার উপর তাঁদের আস্থা থাকলেও কমিশন কীভাবে আদালতের সঙ্গে সমন্বয় করছে, তা পরিষ্কার নয়। যাঁদের নাম বাদ যাবে, তাঁরা কবে আবেদন করবেন এবং সেই সুযোগ কতটা থাকবে, সে বিষয়েও স্পষ্ট উত্তর দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ তাঁর (Voter List)।
এই নিয়ে রাজ্যের রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ভোটের আগে এত বড় সংখ্যক ভোটারের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত থাকায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে।











