Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • রাজ্য
  • কলকাতা দেখতে এসে আর ফেরা হল না! ভাগ্নেকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেল মামারও, কাঁদছে গোটা পরিবার
রাজ্য

কলকাতা দেখতে এসে আর ফেরা হল না! ভাগ্নেকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেল মামারও, কাঁদছে গোটা পরিবার

taratala death 1
Email :5

কলকাতা দেখার স্বপ্ন নিয়েই মামার বাড়িতে এসেছিল কিশোর সাহিল। শুনেছিল, উঁচু ভবনের ছাদ থেকে দূর পর্যন্ত দেখা যায় শহরের সৌন্দর্য। সেই স্বপ্নই শেষ পর্যন্ত তার জীবনের শেষ ইচ্ছা হয়ে দাঁড়াল। ভাগ্নের সেই ইচ্ছে পূরণ করতে তাকে নিয়ে নির্মীয়মাণ গুদামের ছাদে উঠেছিলেন মামা খালেক (Taratala)। কিন্তু কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই ভয়াবহ বিপর্যয়ে মৃত্যু হয় সাহিলের। দু’দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করার পর প্রাণ হারালেন মামা খালেকও।

পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, খালেক সর্দার আগে মুম্বইয়ে প্লাম্বারের কাজ করতেন। মহামারির সময় তিনি গ্রামে ফিরে আসেন। পরে অনেক কষ্টে তারাতলার (Taratala) নির্মীয়মাণ গুদামে কাজ পান। এদিকে ছুটিতে বাসন্তিতে মামার বাড়িতে বেড়াতে এসেছিল দশম শ্রেণির ছাত্র সাহিল। কলকাতা দেখার প্রবল ইচ্ছা ছিল তার। তাই বুধবার মামার সঙ্গে কাজের জায়গায় যাওয়ার জেদ করে।

মামা ভাগ্নের সেই ইচ্ছে পূরণ করতে তাকে সঙ্গে নিয়ে নির্মীয়মাণ ভবনের ছাদে ওঠেন (Taratala)। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই ভবনের একটি অংশ ভেঙে পড়ে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় সাহিলের। গুরুতর আহত অবস্থায় খালেককে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। টানা দু’দিন চিকিৎসার পর শনিবার তাঁরও মৃত্যু হয়।

খালেকের পরিবারে রয়েছেন স্ত্রী, এক ছেলে এবং এক মেয়ে। পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী ছিলেন তিনি। তাঁর মৃত্যুতে কার্যত ভেঙে পড়েছে গোটা পরিবার। স্বামীর মৃত্যুর খবর পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন স্ত্রী (Taratala)।

শনিবার হাসপাতালে গিয়ে আহতদের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন স্বাস্থ্য দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী ও চিকিৎসক ডা. শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। তিনি জানান, অনেক আহতের অবস্থার উন্নতি হয়েছে এবং তাঁদের দ্রুত হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। আহতদের দেখতে হাসপাতালে যান প্রাক্তন শ্রমমন্ত্রী অনাদি সাহুও (Taratala)।

তারাতলার এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মোট ষোলো জনের মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালে এখনও দু’জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাঁদের চিকিৎসায় বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts