রাজ্যজুড়ে ধর্মীয় স্থানে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের পদক্ষেপ ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে। বিশেষ করে মসজিদ থেকে মাইক খুলে ফেলার অভিযোগ সামনে আসার পর বিরোধীদের তরফে প্রশ্ন উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে বিষয়টি নিয়ে প্রথমবার বিস্তারিত বক্তব্য রাখলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)।
নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী (CM Suvendu Adhikari) স্পষ্ট জানিয়ে দেন, সরকার নতুন কোনও আইন প্রয়োগ করছে না। কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশ এবং প্রচলিত আইন মেনেই প্রশাসন কাজ করছে। তাঁর বক্তব্য, শুধু মসজিদ নয়, মন্দির-সহ বিভিন্ন ধর্মীয় স্থানেও একই নিয়ম কার্যকর করা হচ্ছে। তাই বিষয়টিকে কোনও নির্দিষ্ট ধর্মের সঙ্গে যুক্ত করে দেখা উচিত নয়।
মুখ্যমন্ত্রী (CM Suvendu Adhikari) জানান, আদালতের নির্দেশ মেনেই পুলিশ রাজ্যজুড়ে পদক্ষেপ করছে। তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত চার হাজার দুইশো তিনটি মসজিদ থেকে এবং এক হাজার ছিয়ানব্বইটি মন্দির থেকে মাইক সরানো হয়েছে। প্রশাসনের দাবি, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণের স্বার্থেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
অন্যদিকে, ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকির অভিযোগ, কোনও লিখিত নোটিস ছাড়াই একাধিক মসজিদ থেকে লাউডস্পিকার খুলে নেওয়া হচ্ছে। তাঁর দাবি, আদালতের নির্দেশে মাইক খুলে ফেলার কথা বলা হয়নি, বরং নির্দিষ্ট শব্দমাত্রা বজায় রাখার নির্দেশ ছিল। বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনে আইনি পথে যাওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি।
এদিকে আবু তাহের, খলিলুর রহমান, ইউসুফ পাঠান-সহ কয়েকজন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানিয়ে দাবি করেছেন, কোনও বিশেষ সম্প্রদায়কে লক্ষ্য করে যেন প্রশাসনিক পদক্ষেপ না নেওয়া হয়। সরকারি সূত্রের বক্তব্য, সুপ্রিম কোর্ট ও কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশ মেনেই শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।













