সকালের ব্যস্ত সময়ে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) বহরমপুরের কর্ণসুবর্ণ রেলগেটে ঘটে গেল ভয়াবহ দুর্ঘটনা। রেললাইন পার হওয়ার সময় একটি স্কুলগাড়ি এবং এক সাইকেল আরোহীকে ধাক্কা দেয় দ্রুতগতির নিমতিতা-কাটোয়া প্যাসেঞ্জার ট্রেন। ধাক্কার জোরে স্কুলগাড়িটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। ভিতরে আটকে পড়ে যায় একাধিক খুদে পড়ুয়া। স্থানীয় বাসিন্দা, পুলিশ ও রেলকর্মীরা দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু করেন। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, দুই পড়ুয়া-সহ মোট তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর আহত হয়েছেন আরও কয়েক জন। তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা চলছে।
শুক্রবার সকাল প্রায় সাতটা নাগাদ বহরমপুর থানার (Murshidabad) কর্ণসুবর্ণ ও গোবিন্দপুর স্টেশনের মাঝের চব্বিশ এ ভাগ দুই নম্বর রেলগেটে দুর্ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয়দের দাবি, একটি ট্রেন যাওয়ার পর নিয়ম মেনে রেলগেট খুলে দেওয়া হয়েছিল। সেই সময় আটকে থাকা যানবাহন রেললাইন পার হতে শুরু করে। ঠিক তখনই দ্রুতগতিতে নিমতিতা-কাটোয়া প্যাসেঞ্জার ট্রেন এসে স্কুলগাড়ি ও এক সাইকেল আরোহীকে ধাক্কা মারে। দুর্ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রাই প্রথম উদ্ধারকাজে হাত লাগান। পরে পুলিশ ও রেলের আধিকারিকরা পৌঁছে আহতদের দ্রুত হাসপাতালে পাঠান।
এই দুর্ঘটনার (Murshidabad) পর রেলগেট পরিচালনা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, রেলগেট খোলা থাকার সময় কীভাবে ট্রেন চলে এল, তা তদন্ত করে দেখা উচিত। গেটম্যানের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। রেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু হয়েছে। হাওড়া থেকে চার জন সিনিয়র আধিকারিক ঘটনাস্থলে যাচ্ছেন। পাশাপাশি সিগন্যাল ব্যবস্থায় কোনও ত্রুটি ছিল কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে চূড়ান্ত মন্তব্য করা সম্ভব নয়।










