রাজারহাটে (Rajarhat Explosion) একটি বাড়িতে বিস্ফোরণের ঘটনার তদন্তে নতুন মোড় এসেছে। ঘটনার পর তদন্তে নেমেছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। বিস্ফোরণের উৎস, বিস্ফোরক কোথা থেকে এল এবং এর পিছনে কারা জড়িত, সেই সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একই সময়ে হাসনাবাদে একটি পৃথক তদন্তের অংশ হিসেবে উত্তরপ্রদেশের সন্ত্রাস দমন শাখা এবং প্রয়োগকারী সংস্থার তল্লাশি অভিযানও নজর কেড়েছে (Rajarhat Explosion)। তবে এই দুই ঘটনার মধ্যে কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা এখনও তদন্তকারী সংস্থার পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়নি।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েক দিন আগে দুই ব্যক্তি ওই বাড়ির একটি ঘর ভাড়া নেন (Rajarhat Explosion)। অভিযোগ, ঘটনার আগের রাতে তাঁদের মধ্যে একজন একটি সাদা ব্যাগ নিয়ে ঘরে ঢোকেন। কিছুক্ষণ পরে তিনি বেরিয়ে আসেন। তার কয়েক মিনিটের মধ্যেই বিকট বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের মুহূর্ত সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়েছে বলে তদন্তকারীরা জানিয়েছেন। এই ঘটনায় একজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে (Rajarhat Explosion)।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানিয়েছে, বিস্ফোরণের পরে ঘটনাস্থল থেকে বিস্ফোরক সদৃশ কিছু সামগ্রী উদ্ধার হয়েছে। আগে থেকেই ঘরে কিছু মজুত ছিল কি না, অথবা ব্যাগের মাধ্যমে তা আনা হয়েছিল কি না, সেই বিষয়েও তদন্ত চলছে (Rajarhat Explosion)। ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের মতামত এবং অন্যান্য প্রমাণ খতিয়ে দেখে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এর আগে রাজ্যের একাধিক বিস্ফোরণের তদন্ত জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার হাতে গিয়েছে। রাজারহাটের ঘটনাতেও সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তকারী সংস্থাগুলির বক্তব্য, সমস্ত তথ্য, সিসিটিভি ফুটেজ, উদ্ধার হওয়া সামগ্রী এবং সাক্ষ্যপ্রমাণ বিশ্লেষণ করেই ঘটনার প্রকৃত কারণ ও দায় নির্ধারণ করা হবে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনও নির্দিষ্ট কারণ বা কোনও সংগঠনের যোগ রয়েছে বলে সরকারি ভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।













