রাম মন্দিরের (Ram Mandir) অনুদানের টাকা চুরির ঘটনায় নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে দেশজুড়ে। ইতিমধ্যেই এই মামলায় আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্তে সামনে এসেছে একের পর এক বিস্ময়কর তথ্য। বিশেষ তদন্তকারী দলের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরেই পরিকল্পনা করে দানবাক্সের টাকা সরানো হচ্ছিল।
তদন্তে জানা গিয়েছে, চুরির সময় নজর এড়াতে আগে সিসিটিভি ক্যামেরা ঢেকে দেওয়া হত (Ram Mandir)। এরপর দানবাক্স থেকে টাকা বের করে তা শৌচাগারে লুকিয়ে রাখা হত। পরে সুযোগ বুঝে সেই টাকা মন্দির চত্বরের বাইরে পাচার করা হত। তদন্তকারীদের দাবি, চুরি হওয়া টাকা পরে বিভিন্ন ব্যক্তির মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হত।
বিশেষ তদন্তকারী দলের দাবি, মন্দির উদ্বোধনের পর থেকেই এই চক্র সক্রিয় ছিল (Ram Mandir)। শুধু চলতি বছরের সাতাশে এপ্রিল থেকে পাঁচই জুনের মধ্যে অন্তত সত্তরটি চুরির ঘটনার তথ্য সামনে এসেছে। ফলে দীর্ঘদিন ধরেই এই অনিয়ম চলছিল বলে সন্দেহ আরও জোরালো হয়েছে।
জিজ্ঞাসাবাদের সময় ধৃতদের মধ্যে দু’জন কয়েকজন ব্যাঙ্ক আধিকারিকের নামও উল্লেখ করেছেন বলে তদন্ত সূত্রে খবর। সেই তথ্যের ভিত্তিতে আরও কয়েকজনের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি কিছু সরকারি কর্মীর বিরুদ্ধেও তদন্ত এগোতে পারে বলে ইঙ্গিত মিলেছে (Ram Mandir)।
বিশেষ তদন্তকারী দলের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, রাম মন্দিরে এখনও পর্যন্ত নগদ প্রণামী হিসেবে তিন হাজার পাঁচশো কোটিরও বেশি টাকা জমা পড়েছে। পাশাপাশি রয়েছে বিপুল পরিমাণ সোনা ও রুপোর গয়না। কিন্তু সেই সম্পদের একটি বড় অংশের হিসাব মিলছে না বলে অভিযোগ। শুধু নগদ অর্থ নয়, দান হিসেবে পাওয়া রুপোর তৈরি মূল্যবান সামগ্রীও নিখোঁজ বলে তদন্তে উঠে এসেছে (Ram Mandir)।
বিভিন্ন প্রতিবেদনে সাত থেকে সাড়ে সাত কোটি টাকা চুরির দাবি করা হলেও সেই অঙ্ক এখনও সরকারিভাবে নিশ্চিত করা হয়নি। তবে তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত প্রায় সত্তর লক্ষ টাকা উদ্ধার হয়েছে। তদন্ত যত এগোবে, উদ্ধার হওয়া অর্থের পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলেও মনে করছেন সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরা।













