মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কংগ্রেসে যোগদান নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা যখন তুঙ্গে, ঠিক সেই সময়েই জরুরি বৈঠক ডাকল কংগ্রেস (Congress)। বৃহস্পতিবার নয়াদিল্লিতে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব দেশের সব প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির পাশাপাশি বিভিন্ন রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকদের বৈঠকে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দিয়েছে। মাত্র এক দিনের নোটিসে এমন বৈঠক ডাকা রাজনৈতিক মহলে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে (Congress)।
সাধারণত গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ইস্যু বা বড় রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের আগে কংগ্রেস এই ধরনের বৈঠক ডেকে থাকে। তবে এত কম সময়ে সর্বভারতীয় স্তরের নেতাদের ডাকা খুবই বিরল ঘটনা। সেই কারণেই এই বৈঠককে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে।
এরই মধ্যে দিল্লিতে পরপর দুই দিনে তৃণমূল এবং কংগ্রেসের শীর্ষ নেতাদের বৈঠক আরও কৌতূহল বাড়িয়েছে। সম্প্রতি সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার পরের দিন রাহুল গান্ধীর সঙ্গে বৈঠক করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রায় দেড় ঘণ্টার ওই বৈঠক রাজনৈতিক মহলে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে (Congress)।
রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, তৃণমূল ও কংগ্রেসের মধ্যে সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ করার বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এমনও জল্পনা ছড়িয়েছে যে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভবিষ্যতে কংগ্রেসে যোগ দিতে পারেন অথবা তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে কংগ্রেসের কোনও ধরনের রাজনৈতিক সমঝোতা হতে পারে। যদিও এই বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি (Congress)।
কিছু রাজনৈতিক মহলে আরও দাবি করা হচ্ছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। যদিও তৃণমূলের তরফে এমন সব জল্পনা সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করা হয়েছে। তবে তাতে রাজনৈতিক চর্চা থামেনি।
এই পরিস্থিতির মধ্যেই বৃহস্পতিবার দিল্লির ইন্দিরা ভবনে জরুরি বৈঠক ডেকেছে কংগ্রেস। পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকারও ওই বৈঠকে যোগ দিতে দিল্লি যাচ্ছেন বলে সূত্রের খবর।
ফলে রাজনৈতিক মহলে এখন একটাই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে— এই জরুরি বৈঠকে কি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে কোনও বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে? নাকি ইতিমধ্যেই কোনও সিদ্ধান্ত হয়ে গিয়েছে, যা শুধু আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে? সেই উত্তর পেতেই এখন নজর দিল্লির বৈঠকের দিকে।










