বাংলায় দু’দফার ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে শান্তিপূর্ণভাবে এবং রেকর্ড হারে ভোট পড়েছে। এখন সবার নজর ৪ মে-র দিকে, সেদিনই নির্ধারণ হবে রাজ্যের ভবিষ্যৎ। পরিবর্তন হবে নাকি ফের আগের সরকার ফিরবে, সেই প্রশ্নে তাকিয়ে রয়েছে গোটা দেশ।
নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর—এই দুই গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। দ্বিতীয় দফার ভোটের পরদিন নন্দীগ্রামে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, তাঁর এক্সিট পোল দেখার প্রয়োজন নেই। তাঁর দাবি, বাস্তব পরিস্থিতিই বলছে বিজেপি ক্ষমতায় আসতে চলেছে।
শুক্রবার তিনি নন্দীগ্রামের রেয়াপাড়ায় নিজের কার্যালয়ে কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে জেলার ভোট পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, এত বড় সরকারবিরোধী হাওয়া তিনি আগে দেখেননি, এমনকি ২০১১ সালেও নয় (Suvendu Adhikari)।
ভোটের দিন বিভিন্ন জায়গায় দেখা গিয়েছে তাঁকে। কখনও ভবানীপুরে বহিরাগত ভোটারদের খোঁজে সক্রিয় হয়েছেন, আবার কখনও বুথে বুথে ঘুরে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছেন। এর মধ্যেই ঘটে এক অন্যরকম ঘটনা। তৃণমূলের একটি ক্যাম্প অফিসের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় তাঁকে ডেকে নেয় সেখানে থাকা এক কর্মী। তিনি ভিতরে ঢুকে পড়েন এবং সেখানেই একটি ঠান্ডা পানীয় খান (Suvendu Adhikari)।
ঘটনাটি ঘিরে কোনও উত্তেজনা তৈরি হয়নি, বরং এক ধরনের সৌহার্দ্যের ছবি সামনে আসে। পরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে শুভেন্দু বলেন, প্রচণ্ড গরমে তাঁকে ডাকা হয়েছিল, তাই তিনি সামান্য ঠান্ডা পানীয় খেয়েছেন।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। একদিকে তীব্র রাজনৈতিক লড়াই, অন্যদিকে এমন মানবিক মুহূর্ত—সব মিলিয়ে ভোট-পরবর্তী বাংলার রাজনীতি আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে।











