Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • Important
  • সুরুচি সংঘের পুজো কি এবার বন্ধের মুখে? এলআইসির জমি নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ
রাজ্য

সুরুচি সংঘের পুজো কি এবার বন্ধের মুখে? এলআইসির জমি নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ

swaroop and aroop biswas edit
Email :4

সুরুচি সংঘকে ঘিরে বিতর্ক আরও ঘনীভূত হল। এবার রাষ্ট্রায়ত্ত বিমা সংস্থা এলআইসি অভিযোগ করেছে, তাদের ২১ কাঠা জমি দীর্ঘদিন ধরে বেআইনিভাবে দখল করে রাখা হয়েছে (Biswas Brothers)। ওই জমিতেই সুরুচি সংঘের দুর্গাপুজো এবং ক্লাবের বিভিন্ন কার্যকলাপ পরিচালিত হয় বলে অভিযোগ। জমি পুনরুদ্ধারের দাবিতে শনিবার আলিপুর থানার দ্বারস্থ হয়েছেন এলআইসির আধিকারিকরা।

দক্ষিণ কলকাতার অন্যতম জনপ্রিয় দুর্গাপুজো সুরুচি সংঘের উদ্যোগে আয়োজিত হয়। এই ক্লাবের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে জড়িয়ে রয়েছে রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস এবং তাঁর ভাই স্বরূপ বিশ্বাসের নাম (Biswas Brothers)। সম্প্রতি স্বরূপ বিশ্বাস একাধিক অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকেই সুরুচি সংঘকে ঘিরে বিতর্ক আরও বেড়েছে।

এলআইসির দাবি, বহু বছর ধরে তাদের মালিকানাধীন ২১ কাঠা জমি বেআইনিভাবে দখল করে রাখা হয়েছে। শুধু তাই নয়, সেই জমি ঘিরে স্থায়ী নির্মাণও করা হয়েছে বলে অভিযোগ। ওই জমিতেই সুরুচি সংঘের দুর্গাপুজো অনুষ্ঠিত হয় বলে জানিয়েছে বিমা সংস্থা (Biswas Brothers)।

এলআইসির কর্তারা জানিয়েছেন, এর আগেও একাধিকবার জমি ফেরত পাওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। এমনকি আদালতের দ্বারস্থও হয়েছিল সংস্থা। কিন্তু এতদিনেও জমি পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। এবার প্রশাসনের সাহায্যে জমি ফেরত পাওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে (Biswas Brothers)।

বিমা সংস্থার অভিযোগ, বিতর্কিত জমির উপর তৈরি হয়েছে একটি তিনতলা ভবন। সেখানে একাধিক বেডরুম-সহ নানা ধরনের পরিকাঠামো রয়েছে। এলআইসির দাবি, তাদের অনুমতি ছাড়াই এই নির্মাণ করা হয়েছে। তাই গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য পুলিশের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে।

এদিকে সুরুচি সংঘকে ঘিরে আরও একাধিক অভিযোগ সামনে এসেছে। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, ক্লাব চত্বরে বিপুল পরিমাণ সরকারি প্রকল্পের সামগ্রী পাওয়া গিয়েছে। সেখানে সরকারি পানীয় জল প্রকল্পের বোতল এবং ত্রাণের জন্য রাখা শাড়ি উদ্ধার হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

সব মিলিয়ে জমি দখল, বেআইনি নির্মাণ এবং সরকারি সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ ঘিরে সুরুচি সংঘ নতুন করে বিতর্কের কেন্দ্রে। এলআইসির অভিযোগের পর প্রশাসন কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই নজর সকলের।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts