মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘ সংঘাতের আবহে বড় ঘোষণা করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শান্তি বৈঠকের আগেই ইজরায়েল ও লেবাননের মধ্যে দশ দিনের যুদ্ধবিরতি (Ceasefire) কার্যকর করার কথা জানানো হয়েছে। জানা গিয়েছে, প্রায় চৌত্রিশ বছর পর দুই দেশের প্রতিনিধিরা মুখোমুখি আলোচনায় বসতে চলেছেন, তার আগেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হল। ট্রাম্প নিজেই জানান, লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন এবং ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে কথা বলে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে। তিনি দাবি করেন, দুই দেশই আপাতত সংঘর্ষ থামাতে রাজি হয়েছে এবং এটিকে তিনি শান্তি ফেরানোর প্রথম ধাপ হিসেবে দেখছেন (Ceasefire)।
নিজের বক্তব্যে ট্রাম্প আরও বলেন, তিনি ইতিমধ্যেই বিশ্বের একাধিক সংঘাত থামাতে ভূমিকা নিয়েছেন এবং এই যুদ্ধ থামলে সেটি তাঁর আরেকটি বড় সাফল্য হবে (Ceasefire)। একই সঙ্গে তিনি মার্কিন প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকদের নির্দেশ দিয়েছেন, যাতে দ্রুত স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়। যদিও এখনও পর্যন্ত এই যুদ্ধবিরতি নিয়ে ইজরায়েল বা হেজবোল্লার তরফে সরাসরি কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
এই পরিস্থিতির মধ্যে লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন আশাবাদী যে আসন্ন বৈঠকের মাধ্যমে দক্ষিণ লেবাননের মানুষের দুর্ভোগ কিছুটা হলেও কমবে (Ceasefire)। তাঁর মতে, সীমান্তে লেবাননের সেনার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ফিরিয়ে আনা এই আলোচনার প্রধান লক্ষ্য। অন্যদিকে হেজবোল্লা এই বৈঠককে তেমন গুরুত্ব দিতে রাজি নয় বলেই মনে করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, ইজরায়েল রাষ্ট্র গঠনের পর থেকেই দুই দেশের মধ্যে সংঘাত চলছে। গত কয়েক দিনে সংঘর্ষ আরও তীব্র হয়েছে। হেজবোল্লা উত্তর ইজরায়েলের একাধিক শহরে হামলা চালিয়েছে, পাল্টা দক্ষিণ লেবাননে ব্যাপক বোমাবর্ষণ করেছে ইজরায়েল। একাধিক এলাকা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। লেবাননের স্বাস্থ্য দফতরের দাবি, এই সংঘাতে দুই হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে এবং কয়েক হাজার মানুষ আহত হয়েছেন।
এই পরিস্থিতিতে ট্রাম্পের ঘোষণা ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, এই যুদ্ধবিরতি যদি বাস্তবায়িত হয়, তবে দীর্ঘদিনের সংঘাত কমানোর পথে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হতে পারে।











