শান্তি বৈঠক ব্যর্থ হওয়ার পর ফের চরম উত্তেজনা তৈরি হয়েছে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে। অভিযোগ, ইরানকে (Strait Of Hormuz) অর্থনৈতিকভাবে চাপে ফেলতে হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধ করার পরিকল্পনা শুরু করেছে ওয়াশিংটন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইরান যেমন পরিস্থিতি তৈরি করছে, আমেরিকাও প্রয়োজনে হরমুজকে ‘অবরুদ্ধ’ করতে পারে। এই মন্তব্য ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে (Strait Of Hormuz) ।
এই প্রেক্ষিতে তেহরানের (Strait Of Hormuz) তরফে পালটা কটাক্ষ করা হয়েছে ট্রাম্পকে। ভারতে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত এক্স-এ একটি পোস্টে লিখেছেন, হরমুজ প্রণালী কোনও সামাজিক মাধ্যম নয়। তিনি বলেন, এটি ফেসবুক বা সোশাল মিডিয়ার মতো নয়, যেখানে কেউ ব্লক করলে অন্য পক্ষ পালটা ব্লক করতে পারে। তাঁর এই মন্তব্যকে ঘিরে কূটনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে ব্যাপক চর্চা।
উল্লেখ্য, গত ১২ এপ্রিল ট্রাম্প দাবি করেন, হরমুজ প্রণালী (Strait Of Hormuz) দিয়ে জাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজন রয়েছে। তিনি নিজের সোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে লেখেন, যুক্তরাষ্ট্র চায় সব জাহাজ নির্বিঘ্নে যাতায়াত করুক, কিন্তু ইরানের কারণে সমস্যা তৈরি হচ্ছে। তাঁর দাবি, মার্কিন নৌবাহিনীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে তারা সমুদ্রপথে চলা প্রতিটি জাহাজের ওপর নজর রাখে এবং যারা ইরানকে শুল্ক দিয়ে প্রবেশ করছে, তাদের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
এই পরিস্থিতির মধ্যেই ইরান ও আমেরিকার মধ্যে উত্তেজনা আরও বেড়েছে।
এদিকে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, হরমুজ অঞ্চলে সামরিক প্রস্তুতি আরও জোরদার করা হয়েছে। সেখানে ১৫টির বেশি যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি মোতায়েন করা হয়েছে ইউএসএস ত্রিপোলি নামে একটি শক্তিশালী রণতরী, যেখানে রয়েছে এফ–৩৫বি স্টিলথ যুদ্ধবিমান, এমভি–২২ অসপ্রে বিমান এবং একাধিক হেলিকপ্টার।
সেন্টকম আরও জানিয়েছে, এই রণতরী এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যাতে প্রয়োজনে একসঙ্গে ২০টির বেশি এফ–৩৫ যুদ্ধবিমান পরিচালনা করা সম্ভব। ফলে হরমুজ অঞ্চলে সামরিক উত্তেজনা আরও বাড়ছে বলেই মনে করছে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ মহল।












