দিল্লিতে কংগ্রেস নেতৃত্বের সঙ্গে তৃণমূলের শীর্ষ নেতাদের পরপর বৈঠক ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। একদিন আগে সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার পরের দিন রাহুল গান্ধীর সঙ্গে বৈঠক করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। প্রায় দেড় ঘণ্টার এই বৈঠককে ঘিরে নানা জল্পনা ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে।
সূত্রের দাবি, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, বিরোধী শক্তির ভবিষ্যৎ কৌশল এবং জাতীয় রাজনীতির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে দুই নেতার মধ্যে। পাশাপাশি বিরোধী জোটকে আরও শক্তিশালী করার সম্ভাব্য রূপরেখা নিয়েও মতবিনিময় হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি (Abhishek Banerjee)।
এর আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সোনিয়া গান্ধীর বৈঠকেও বিরোধী ঐক্য এবং জাতীয় রাজনীতির বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। ফলে পরপর দু’দিন দুই দলের শীর্ষ নেতৃত্বের বৈঠক রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের নজর কেড়েছে (Abhishek Banerjee)।
রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে বিরোধী রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে কি না, সেই প্রশ্নও উঠতে শুরু করেছে। যদিও বৈঠক নিয়ে কংগ্রেস বা তৃণমূলের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
দিল্লির এই ধারাবাহিক বৈঠকের পর রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা শুরু হলেও, দুই দলের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও বড় রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত বা নতুন সমীকরণের বিষয়ে প্রকাশ্যে কিছু বলা হয়নি। ফলে বৈঠকের প্রকৃত তাৎপর্য এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক প্রভাব নিয়ে আলোচনা চলছেই।
এখন রাজনৈতিক মহলের নজর, আগামী দিনে কংগ্রেস এবং তৃণমূলের সম্পর্ক কোন পথে এগোয় এবং বিরোধী রাজনীতিতে এই বৈঠকগুলির কোনও বাস্তব প্রভাব পড়ে কি না, সেদিকেই।













