ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা-সহ একাধিক দাবিতে দীর্ঘদিন আন্দোলন চালিয়েছিল ককরোচ জনতা পার্টি (CJP Protest)। সেই আন্দোলনের অন্যতম মুখ ছিলেন পরিবেশকর্মী সোনম ওয়াংচুক। শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে তিনি টানা ছাব্বিশ দিন অনশনও করেছিলেন। কিন্তু আন্দোলনের সাফল্যের ঘোষণার দিন তাঁকে ঘিরেই তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক।
ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের খবর প্রকাশ্যে আসার পর আন্দোলনকারীদের (CJP Protest) উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রধান অভিজিৎ দীপকে। তিনি এই ঘটনাকে গণতন্ত্রের জয় বলে উল্লেখ করেন এবং আন্দোলনের সাফল্যের কৃতিত্ব পড়ুয়া ও আন্দোলনকারীদের দেন। বক্তব্যে তিনি বলেন, দীর্ঘ এক মাসের লড়াই, ধৈর্য এবং ঐক্যের ফলেই এই সাফল্য এসেছে। নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় প্রাণ হারানো পড়ুয়াদেরও স্মরণ করেন তিনি (CJP Protest)।
তবে গোটা বক্তব্যে একবারের জন্যও সোনম ওয়াংচুকের নাম না আসায় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। আন্দোলনের প্রথম সারিতে থাকা, দীর্ঘ অনশন করা এই পরিবেশকর্মীর অবদান কেন উল্লেখ করা হল না, তা নিয়েই শুরু হয়েছে জোর আলোচনা (CJP Protest)। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, আন্দোলনের শেষ পর্যায়ে সোনম ওয়াংচুক কেন্দ্রের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে অনশন ভাঙেন এবং পরে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি থেকেও সরে আসেন। সেই কারণেই হয়তো ককরোচ জনতা পার্টির নেতৃত্ব তাঁর ভূমিকা এড়িয়ে গিয়েছে। যদিও এই বিষয়ে সংগঠনের পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।
অন্যদিকে সোনম ওয়াংচুক কিন্তু সম্পূর্ণ ভিন্ন বার্তা দিয়েছেন। ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর তিনি দেশের যুবসমাজকে অভিনন্দন জানান (CJP Protest)। তাঁর বক্তব্য, এটি গণতন্ত্র, শান্তিপূর্ণ আন্দোলন এবং সাধারণ মানুষের ঐক্যের জয়। একই সঙ্গে ককরোচ জনতা পার্টি, আন্দোলনে অংশ নেওয়া পড়ুয়া এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্তের নাগরিকদেরও অভিনন্দন জানান তিনি। কোথাও নিজের ভূমিকার কথা উল্লেখ না করে আন্দোলনের কৃতিত্ব সকলের সঙ্গে ভাগ করে নেন সোনম।
সাফল্যের মুহূর্তে সোনম ওয়াংচুকের নাম না ওঠায় রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আন্দোলনের অন্যতম মুখকে ইচ্ছাকৃতভাবে উপেক্ষা করা হয়েছে কি না, তা নিয়ে এখন নানা মহলে আলোচনা চলছে।











