Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • Important
  • অনুমতি মেলেনি, তবু পথে মমতা! পদ্মপুকুরে নাটক, আটক একাধিক নেতা
রাজ্য

অনুমতি মেলেনি, তবু পথে মমতা! পদ্মপুকুরে নাটক, আটক একাধিক নেতা

mamata banerjee padma pukur protest
Email :3

কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার পর নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে কলকাতায় বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দিয়েছিল তৃণমূল। তবে সেই কর্মসূচির জন্য পুলিশের অনুমতি মেলেনি। পরে কলকাতা হাই কোর্টেও অনুমতির আবেদন খারিজ হয়ে যায়। তবুও শনিবার নির্ধারিত সময়ে পদ্মপুকুর এলাকায় জড়ো হতে শুরু করেন তৃণমূল নেতা-কর্মীরা। কিছুক্ষণের মধ্যেই সেখানে পৌঁছন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে (Mamata Banerjee)।

পুলিশের দাবি, অনুমতি না থাকায় জমায়েত সরিয়ে দেওয়ার জন্য বারবার অনুরোধ করা হয়। কিন্তু বিক্ষোভকারীদের একাংশ সেই নির্দেশ মানেননি। পরে পুলিশ হস্তক্ষেপ করলে ধস্তাধস্তির পরিস্থিতি তৈরি হয়। কুণাল ঘোষ, বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়-সহ একাধিক নেতা-কর্মীকে আটক করে লালবাজারে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাঁরা জামিনে মুক্তি পান।

ঘটনাস্থলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) অভিযোগ করেন, বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তাঁর দাবি, নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে ছাত্রদের পাশে ছিল তৃণমূল এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। তিনি বলেন, ছাত্রদের আন্দোলনের চাপেই কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ইস্তফা দিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্যে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না।

বিক্ষোভের সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার মাঝেই কিছুটা বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। সেই সময় ভিড়ের মধ্যে এক মহিলা কর্মীকে ধাক্কা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। পরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) এলাকা ছেড়ে চলে যান। অন্যদিকে লালবাজারে আটক নেতাদের সঙ্গে দেখা করতে যান ডেরেক ও’ব্রায়েন ও দোলা সেন। সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। পরে আটক নেতাদের জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, তৃণমূলের পরিকল্পনা ছিল কলেজ স্ট্রিট থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত মিছিল করার। কিন্তু পুলিশ অনুমতি না দেওয়ায় তারা আদালতের দ্বারস্থ হয়। আদালত জানায়, বর্তমান পরিস্থিতিতে নতুন করে মিছিলের অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়। বিচারপতি মন্তব্য করেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এর আগে ধর্মতলায় ছাত্র বিক্ষোভ ঘিরে অশান্তির ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। সেই ঘটনার তদন্ত চলছে। এদিকে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার পরেও তৃণমূলের এই কর্মসূচি ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts