প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) ১৮ এপ্রিলের জাতির উদ্দেশে ভাষণকে ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অভিযোগ, ওই ভাষণের মাধ্যমে তিনি বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলিকে আক্রমণ করে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন। এই অভিযোগে এবার নির্বাচন কমিশনের কাছে চিঠি জমা দিয়েছেন দেশের প্রায় ৭০০ জন বিশিষ্ট নাগরিক।
এই চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন প্রাক্তন আমলা, সমাজকর্মী ও শিক্ষাবিদরা। তাঁদের দাবি, ওই ভাষণ দূরদর্শন ও অল ইন্ডিয়া রেডিওর মতো সরকারি অর্থে পরিচালিত সম্প্রচার মাধ্যমে প্রচার করা হয়েছে, যা সরকারি যন্ত্রকে ব্যবহার করে পক্ষপাতমূলক প্রচারের সমান (PM Modi)।
এর আগেও কংগ্রেস, তৃণমূল ও সিপিএমের মতো রাজনৈতিক দলগুলি এই একই অভিযোগ তুলেছিল। তাঁদের বক্তব্য ছিল, সরকারি সম্প্রচার মাধ্যম ব্যবহার করে বিরোধী দলগুলির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রচার চালানো হয়েছে, যা আদর্শ আচরণবিধির পরিপন্থী (PM Modi)।
রবিবার এই ইস্যুতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি পাঠিয়েছে বাম দলগুলি। তাদের দাবি, পশ্চিমবঙ্গ ও তামিলনাড়ুতে বিধানসভা নির্বাচনের আদর্শ আচরণবিধি কার্যকর থাকাকালীন এই ধরনের ভাষণ সম্পূর্ণভাবে নিয়ম লঙ্ঘন করেছে।
কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গেও অভিযোগ করেছেন, প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে প্রায় ৫৯ বার কংগ্রেসের নাম উল্লেখ করে রাজনৈতিক আক্রমণ করেছেন। বিভিন্ন রাজ্যের কংগ্রেস নেতারাও নির্বাচন কমিশনে এই বিষয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন।
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও এই ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। হুগলির তারকেশ্বরের সভা থেকে তিনি এটিকে রাষ্ট্রযন্ত্রের অপব্যবহার বলে আখ্যা দেন। তাঁর অভিযোগ, সরকারি মাধ্যম ব্যবহার করে রাজনৈতিক প্রচার চালানো হচ্ছে। তৃণমূল কংগ্রেসও নির্বাচন কমিশনে আলাদা অভিযোগ জানাবে বলে তিনি জানান।
এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়েছে এবং নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।












