ভাঙড়ে (Bhangar) অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভার আগেই ছড়াল তীব্র উত্তেজনা ও বোমাতঙ্ক। শানপুকুর অঞ্চলের মাঝেরআইট এলাকায় এক তৃণমূল কর্মীর পরিত্যক্ত বাড়িতে বোমা রাখা আছে বলে খবর ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেতেই এলাকায় পৌঁছে যায় উত্তর কাশিপুর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। গোটা এলাকা ঘিরে শুরু হয় তল্লাশি ও নজরদারি।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোরও শুরু হয়েছে। আইএসএফের অভিযোগ, স্থানীয় এক পঞ্চায়েত (Bhangar) সদস্যের নির্দেশেই ওই বাড়িতে বোমা মজুত করা হয়েছে। এমনকি সেই পঞ্চায়েত সদস্যের বাড়িতেও তদন্তের দাবি তুলেছে আইএসএফ নেতৃত্ব। অন্যদিকে তৃণমূলের পাল্টা দাবি, আইএসএফ ইচ্ছাকৃতভাবে তৃণমূল কর্মীর পরিত্যক্ত বাড়িতে বোমা রেখে দোষ চাপানোর চেষ্টা করছে। তাদের দাবি, ভোটে হার নিশ্চিত বুঝেই এলাকায় আতঙ্ক ছড়ানো হচ্ছে।
অন্যদিকে ভেকুটিয়ার উত্তর দীনবন্ধুপুর ৩৬ নম্বর বুথে (Bhangar) তৃণমূলের পোলিং এজেন্ট ঝন্টু মাইতিকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে বিজেপির বিরুদ্ধে। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি বাড়ি থেকে বেরিয়ে দোকানে বসার সময় আচমকা কয়েকজন বিজেপি কর্মী তাঁর উপর হামলা চালায় এবং মারধর করে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে নন্দীগ্রাম সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় নন্দীগ্রাম থানার পুলিশ। যদিও বিজেপি এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে।
এছাড়াও চাপড়ার হাঁটিশালা এলাকায় তৃণমূল ও আইএসএফ কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি তৃণমূল থেকে আইএসএফে যোগ দেওয়া এক নেতা ও তাঁর অনুগামীদের বিরুদ্ধে এলাকায় তাণ্ডবের অভিযোগ ওঠে (Bhangar)। এরপর প্রচারের সময় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে গেলে স্থানীয়রা হস্তক্ষেপ করে এক আইএসএফ কর্মীকে মারধর করে বলে অভিযোগ। এরপর এলাকা থেকে গুলি চালানোর অভিযোগও ওঠে, যদিও পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। ঘটনায় একাধিকজনকে আটক করা হয়েছে।
সব মিলিয়ে ভোটের মুখে ভাঙড় ও আশপাশের এলাকায় একের পর এক সংঘর্ষ, অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগে উত্তপ্ত রাজনৈতিক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।













