তারাতলার (Taratala) ভয়াবহ গোডাউন ধসের পর টানা উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে সেনাবাহিনী, বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, দমকল এবং পুলিশ। বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত ২৩ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এখনও পর্যন্ত ৯ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নীচে আরও কেউ আটকে রয়েছেন কি না, তা খুঁজতে এবার ব্যবহার করা হচ্ছে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি (Taratala)।
উদ্ধারকাজে (Taratala) নামানো হয়েছে বিশেষ ধরনের একটি যন্ত্র, যার সাহায্যে ধ্বংসস্তূপের ভিতরের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে ধ্বংসস্তূপের নীচে কোনও মানুষের উপস্থিতি বা নড়াচড়ার সম্ভাবনা রয়েছে কি না, তা দ্রুত শনাক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
উদ্ধারকারী দল সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্ভাব্য আটকে থাকা জায়গাগুলিতে এই যন্ত্র বসিয়ে ভিতরের চিত্র সংগ্রহ করা হচ্ছে। সেই তথ্য বিশ্লেষণ করে নির্দিষ্ট স্থানে উদ্ধার অভিযান চালানো হচ্ছে। ফলে অন্ধকার ও ঝুঁকিপূর্ণ জায়গাতেও অনুসন্ধানের কাজ অনেক সহজ হচ্ছে (Taratala)।
সেনা সূত্রের দাবি, বড় ধরনের বিপর্যয়ের সময় এই ধরনের প্রযুক্তি অত্যন্ত কার্যকর প্রমাণিত হয়। অতীতেও একাধিক উদ্ধার অভিযানে এই প্রযুক্তির সাহায্যে আটকে থাকা মানুষদের খুঁজে বের করা সম্ভব হয়েছিল। তারাতলার ক্ষেত্রেও একইভাবে দ্রুত অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে।
এদিকে দুর্ঘটনার কারণ নিয়েও সামনে আসছে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। পৌর কর্তৃপক্ষের কাছে জমা পড়া প্রাথমিক রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট জমিতে নির্মাণের অনুমোদন চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে দেওয়া হয়েছিল। তদন্তে উঠে এসেছে, নির্মাণের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে কাঠামোগত নিয়ম মেনে কাজ করা হয়নি বলে অভিযোগ।
রিপোর্ট অনুযায়ী, নির্মাণকাজের পদ্ধতিতে ত্রুটি থাকার কারণে অতিরিক্ত চাপ তৈরি হয়। সেই চাপ বহন করতে না পেরে গোটা কাঠামোর একটি বড় অংশ ভেঙে পড়ে। এই অভিযোগ কতটা সত্য, তা খতিয়ে দেখতে শুরু হয়েছে তদন্ত।
ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে এখনও উদ্ধার অভিযান চলছে। প্রশাসনের প্রধান লক্ষ্য হল, ভিতরে আর কেউ আটকে রয়েছেন কি না তা নিশ্চিত করা এবং দ্রুত উদ্ধারকাজ সম্পূর্ণ করা।













