পুণের ব্যবসায়ী কেতন বিশাল আগরওয়ালের মৃত্যুকাণ্ডে (Maharashtra Murder) নতুন মোড় এল অভিযুক্ত চেতন চৌধুরীর আইনজীবীর বক্তব্যে। তাঁর দাবি, চেতনের বিরুদ্ধে খুনে জড়িত থাকার মতো কোনও শক্ত প্রমাণ এখনও সামনে আসেনি। শুধু প্রধান অভিযুক্ত সিয়া গোয়ালের সঙ্গে সম্পর্ক থাকার কারণেই তাঁকে এই মামলায় জড়ানো হয়েছে বলে দাবি প্রতিরক্ষা পক্ষের।
চেতনের আইনজীবী জানিয়েছেন, মামলার নথি খতিয়ে দেখলে দেখা যায় তাঁর মক্কেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি। কোথাও তাঁর নির্দিষ্ট ভূমিকার বর্ণনা নেই। শুধু সিয়ার প্রেমিক হিসেবেই তাঁর নাম উঠে এসেছে বলে দাবি আইনজীবীর (Maharashtra Murder)।
জুন মাসে লোহাগড় দুর্গ এলাকায় খাদে পড়ে মৃত্যু হয় কেতন আগরওয়ালের। প্রথমে ঘটনাটিকে দুর্ঘটনা বলে মনে করা হলেও পরে তদন্তের মোড় ঘুরে যায়। পুলিশের দাবি, এটি পরিকল্পিত খুনের ঘটনা এবং সেই কারণেই সিয়া গোয়াল ও চেতন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে (Maharashtra Murder)।
তদন্তকারীদের দাবি, ঘটনার আগে ও পরে অভিযুক্তদের চলাফেরা, ফোনের তথ্য এবং নজরদারি ক্যামেরার ফুটেজে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সূত্র মিলেছে। পুলিশ জানিয়েছে, কেতন ও সিয়া পৌঁছানোর আগেই চেতন ঘটনাস্থলে পৌঁছে গিয়েছিলেন বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে।
তদন্তে আরও দাবি করা হয়েছে, দুর্গের পাদদেশে থাকা নজরদারি ক্যামেরায় এক যুবককে দেখা যায়, যাকে পরে চেতন বলে শনাক্ত করা হয়। প্রবল গরমের মধ্যেও তাঁর পরনে ছিল মোটা হুডি। এই আচরণ তদন্তকারীদের সন্দেহ আরও বাড়িয়ে দেয়।
পুলিশের অভিযোগ, নিজের অবস্থান গোপন রাখার জন্য চেতন নাকি মোবাইল ফোন বাড়িতেই রেখে গিয়েছিলেন। পাশাপাশি সিয়া ও চেতনের মধ্যে দুই হাজারেরও বেশি ফোনালাপের তথ্যও তদন্তকারীদের হাতে এসেছে বলে জানা গিয়েছে।
তদন্তকারী সংস্থার দাবি, জিজ্ঞাসাবাদের সময় দু’জনেই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। যদিও সেই দাবি নিয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেনি অভিযুক্তের পক্ষ। আদালত সিয়া গোয়াল ও চেতন চৌধুরীকে সাত দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে। এই মৃত্যুকাণ্ডে খুনের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ কতটা প্রমাণিত হয়, এখন সেদিকেই নজর তদন্তকারীদের।







