দুই দফার ভোটগ্রহণ শেষ হতেই বিভিন্ন সংস্থার বুথফেরত সমীক্ষার ফল প্রকাশ পেয়েছে (Mamata Banerjee)। বেশিরভাগ সমীক্ষাতেই এবারের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপিকে এগিয়ে রাখা হয়েছে । এই ফল প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন, সবকিছুই পরিকল্পিত এবং বিজেপির চাপে এই এক্সিট পোল করানো হয়েছে (Mamata Banerjee)।
একটি ভিডিও বার্তায় তিনি জানান, টেলিভিশনে যা দেখানো হচ্ছে তার অনেকটাই বিভ্রান্তিকর। তাঁর দাবি, মানুষের রায়ের ওপর তাঁর পূর্ণ আস্থা রয়েছে। পরে শাখাওয়াত মেমোরিয়ালের বাইরে দাঁড়িয়ে তিনি আবারও একই অভিযোগ তোলেন। ভবানীপুরের তৃণমূল প্রার্থী হিসেবে তিনি বলেন, আগের নির্বাচনগুলোর মতো এবারও তৃণমূল জয়ী হবে (Mamata Banerjee)।
ভোট শেষ হতেই স্ট্রং রুম নিয়ে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে স্ট্রং রুমের বাইরে টানটান পরিস্থিতি দেখা যায়। ইভিএমে কারচুপির অভিযোগ তুলে ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের বাইরে প্রায় এক ঘণ্টা ধরে ধরনায় বসেন শশী পাঁজা ও কুণাল ঘোষ। অন্যদিকে, শাখাওয়াত মেমোরিয়ালে পৌঁছে প্রায় চার ঘণ্টা অবস্থান করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
স্ট্রং রুম থেকে বেরিয়ে তিনি বলেন, ভোট প্রক্রিয়ায় পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ আসছিল এবং সিসিটিভি ফুটেজে কিছু সন্দেহজনক ঘটনা ধরা পড়েছে বলেও খবর এসেছে। তাই তিনি নিজে পরিস্থিতি দেখতে সেখানে গিয়েছিলেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, কেউ যদি ইভিএম লুঠের চেষ্টা করে, তাহলে তা রুখতে জীবন-মরণ লড়াই হবে (Mamata Banerjee)।
এক্সিট পোল নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বিজেপি নাকি বিভিন্ন সংস্থাকে তাদের মতো করে সমীক্ষা দেখাতে চাপ দিয়েছে। তিনি মনে করিয়ে দেন, আগের নির্বাচনেও তৃণমূলকে কম আসন দেখানো হয়েছিল, এমনকি সরকার গঠনের হিসাবও তৈরি করা হয়েছিল, কিন্তু বাস্তবে তার ফল অন্যরকম হয়েছিল।
তিনি বলেন, ২০১৬ এবং ২০২১— দুইবারই এক্সিট পোল ভুল প্রমাণিত হয়েছে। এবারও একই ঘটনা ঘটবে বলে তাঁর বিশ্বাস। ভিডিও বার্তায় তিনি আরও দাবি করেন, ২০২৬ সালের নির্বাচনে তৃণমূল ২২৬টিরও বেশি আসন পাবে।
এখন সবার নজর চার মে-র দিকে। সেদিনই জানা যাবে, বাংলায় আবারও কি তৃণমূল ফিরবে, নাকি পরিবর্তনের হাওয়া বইবে।













