ভোট মিটতেই রাজ্যে শুরু হয়েছে স্ট্রং রুম (Strongroom) ঘিরে তীব্র বিতর্ক। ঝড়-বৃষ্টির মধ্যেই রাতভর উত্তেজনা ছড়ায় বিভিন্ন জায়গায়। ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের বাইরে তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ ও শশী পাঁজার ধরনা থেকে শুরু করে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে সংঘর্ষ— পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
এই পরিস্থিতির মধ্যেই উত্তেজনা আরও বাড়ান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃষ্টি উপেক্ষা করে তিনি পৌঁছে যান শাখাওয়াত মেমোরিয়ালে, যেখানে ভবানীপুর কেন্দ্রের ইভিএম রাখা রয়েছে (Strongroom)। প্রথমে তাঁকে ভিতরে ঢুকতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ ওঠে। পরে অবশ্য তিনি স্ট্রং রুমের ভিতরে যান এবং সেখানেও উত্তেজনা তৈরি হয়।
এদিকে, বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ছবি পোস্ট করে নতুন করে বিতর্ক উসকে দেন। সেই ছবিতে দেখা যায়, একদিকে বসে রয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর সামনে বসে আছেন শুভেন্দুর নির্বাচনী এজেন্ট সূর্যনীল দাস। শুভেন্দু দাবি করেন, তাঁর এজেন্ট সেখানে উপস্থিত থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কড়া নজরে রেখেছিলেন (Strongroom)।
তিনি লেখেন, ভবানীপুর কেন্দ্রের মানুষকে আশ্বস্ত করতে চান যে কোনওরকম অতিরিক্ত সুবিধা নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়নি। তাঁর দাবি, যতক্ষণ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্ট্রং রুম এলাকায় ছিলেন, ততক্ষণ তাঁর এজেন্ট সতর্কভাবে নজরদারি করেছেন যাতে কোনও অনিয়ম না ঘটে।
এই মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক তরজা। তৃণমূলের রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার পাল্টা আক্রমণ করে বলেন, দেশের নির্বাচন ব্যবস্থা নিরপেক্ষতা হারাচ্ছে। তাঁর অভিযোগ, নির্বাচন কমিশন একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের হয়ে কাজ করছে, যা গণতন্ত্রের জন্য উদ্বেগজনক।
স্ট্রং রুম ঘিরে এই উত্তেজনা এবং পাল্টা অভিযোগে ভোট পরবর্তী রাজনীতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। এখন সবার নজর ফল ঘোষণার দিনের দিকে, যখন সব জল্পনার অবসান হবে।












